11.13.2017

সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পেছনে যে মূল কলকাঠী ‘মোসাদ’ ও ‘র’ নাড়তেছে আপনারা কি তা জানেন?

বাংলাদেশে দাঙ্গা সৃষ্টি করার জন্য অতি সুচতুর ভাবে মোসাদ হিন্দুদের দ্বারা উস্কানীমূলক পোস্ট দেওয়াচ্ছে রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে। এটাই মূলত মোসাদের পলিসি, উস্কানী ওরাই দিবে আবার ওরাই নির্যাতিত বলে শোরগোল তুলবে।

কূটীল চাণক্য নীতি!!!!

ক্লাইভ এরিক কাসলার (জন্ম ১৯৩১) হলেন অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন এডভেঞ্চার থ্রিলার রাইটার। তার সৃষ্টিকৃত এক অবিষ্মরণীয় চরিত্রের নাম হলো ডার্ক পিট। যার উপরে লেখা অন্তত ২০টি বই নিউ ইয়র্ক টাইমস বেষ্ট সেলার লিস্টে ছিলো। কাসলার ব্যাক্তিগতভাবে ন্যাশনাল মেরিণ এন্ড আন্ডার ওয়াটার এজেন্সীর ফাউন্ডার এবং চেয়ারম্যান, যা সংক্ষেপে নুমা(NUMA) নামে পরিচিত।

তো ডার্ক পিটের উপরে লেখা একটা বই পড়েছিলাম অনেক আগে। নাম ড্রাগন এই বই এর সার বস্তু হলো হিদেকী সুমা নামের একজন জাপানী বিজনেস টাইকুন ২য় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের শোচনীয় অপমানজনক পরাজয় এর পর মনে মনে রিভেঞ্জ নেয়ার একটা মাস্টার প্ল্যান করে। সেই মাস্টার প্ল্যান অনুসারে সে ধীরে ধীরে নিজেকে একজন অটোমোবাইল এক্সপোর্টার হিসেবে গড়ে তুলে। বেশ কয়েক বছর সফল ভাবে সন্দেহের উর্ধ্বে থেকে গাড়ি রফতানি করার পর ধীরে ধীরে সে তার মাস্টার প্ল্যানের মূল অংশের দ্বিতীয় পর্বে প্রবেশ করে। এ পর্যায়ে সে গাড়িগুলোর বনেটের ভেতরে ছোট ছোট সাইজের নিউক্লিয়ার বোমা ফিট করতে থাকে, যা দূর থেকে সিগনাল এর মাধ্যমে বিষ্ফোরিত করা সম্ভব। (বাস্তবেও কিন্তু এরকম ক্ষুদ্র পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যাবহার আছে সূত্রঃ- https://en.wikipedia.org/wiki/Suitcase_nuclear_device) কিন্তু এক পর্যায়ে একবার সমুদ্রে শিপমেন্ট-এর সময় দূর্ঘটনা বশত রেডিয়েশন লিক হতে থাকে। এবং শিপে উঠে আতঙ্কগ্রস্ত কোস্টগার্ড গুলি নিক্ষেপ করতে থাকায় বুলেট লেগে বনেটের মধ্যে থাকা পারমাণবিক বোমা বিষ্ফোরিত হয়। এবং বিষ্ফোরণের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠে এবং সমুদ্রগর্ভে ১০,০০০ কিলোমিটার রেডিয়াসের মধ্যে বিপুল শকওয়েভ ও তেজস্ক্রীয়তা বিকীরণ হয়। ফলস্বরুপ সে এলাকায় সামুদ্রিক প্রাণীজ জীবনে নেমে আসে বিপর্যয় এবং টনক নড়ে মার্কীন প্রশাসনের। তারা ঘটনার তদন্ত করতে পাঠায় ন্যাশনাল আন্ডার ওয়াটার আর মেরিণ এজেন্সীর ডিরেক্টর ডার্ক পিটকে। এভাবেই উপভোগ্য থৃলারটির গতি এগিয়ে যেতে থাকে তার পরিণতির দিকে।--মূলত ক্লাইভ কাসলার একজন আর্মি অফিসার ছিলেন, তিনি যেই থৃলারগুলি লিখেছেন এবং এখনো লিখে যাচ্ছেন তাতে বাস্তব সম্ভাবনার উপজীব্যতাকেই কেন্দ্র করে লিখে থাকেন। (যেমন জেমস বন্ডের রাইটার আয়ান ফ্লেমিং নিজেও বাস্তব জীবনে গুপ্তচর বিভাগে চাকুরী করেছিলেন।)

এছাড়াও রুশ ডিফেক্টর মাস্টার স্পাই স্টানিস্লাভ লেভচেঙ্কোর লেখা আত্মজীবনি আই ওয়াজ ইন কেজিবি-তেও লেখা রয়েছে সোভিয়েত কেজিবির ব্যাবহৃত অদ্ভুত অদ্ভুত ছদ্মবেশি বেসামরিকমারণাস্ত্রের কথা। যেমন ছাতার মধ্যে লুকানো বিষযুক্ত ধারালো ডার্ট যা আঘাত করার অল্প সময়ের মধ্যেই মৃত্যু সুনিশ্চিত। সৌখিন ঘড়ি, চুরুট, জুতো ইত্যাদির মধ্যে কেমন প্রাণঘাতি মারণাস্ত্র লুকায়িত আছে।

এবার প্রশ্ন আসতে পারে কেন গুপ্তহত্যার গুপ্তসরঞ্জাম সমূহের উপরে এতো প্রসঙ্গ আসলো কেনো?। আসলো একারণে কারণ বাংলাদেশে মোসাদ+র তো তাদের গোপন এসপিওনাজ ও নাশকতা চালাচ্ছে। প্লাস একই সঙ্গে তারা বাংলাদেশের জনসাধারণের জন্যেও কিন্তু প্রাণঘাতি গোপন স্যাবোটাজ ডিভাইস সেট করতে যাচ্ছে যেমন- রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, যার পেছনে চক্রান্ত রয়েছে সুদূর প্রসারী। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রা ও বিশেষ করে সামরিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ত্রিবাহিনীর অগ্রবর্তীতা পার্শ্ববর্তী অনেক ব্রাম্মণ্যবাদী কুচক্রী মহলের মাথা ব্যাথার কারণ। (তাই ঘটানো হয়েছে পিলখানা হত্যাকান্ড, র-এর প্রযোজনায় সংঘটিত হয়েছে তনু-হত্যাকান্ড নাটক)

আরো গভীর পরিকল্পনা বস্তবায়নের জন্য তথা বাংলাদেশে দাঙ্গা সৃষ্টি করার জন্য অতি সুচতুর ভাবে মোসাদ হিন্দুদের দ্বারা উস্কানীমূলক পোস্ট দেওয়াচ্ছে রাসুলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং ধর্মের বিরুদ্ধে। রংপুরসহ দেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন মূলত মোসাদ+র এর পলিসি। উস্কানী ওরাই দিবে আবার ওরাই নির্যাতিত বলে শোরগোল তুলবে। যাতে দেশের পরিস্থিতি জটিল করা যায়।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: