11.15.2017

কুরআন শরীফ হাদীছ শরীফে উল্লেখ না থাকলেই কি তা বাদ দিয়ে দিতে হবে?

ইদানিং ব্যঙ্গের ছাতার মতো যেখানে সেখানে, অনলাইনে অফলাইনে নামধারী মুফতি মুহাদ্দিস উলামায়ে ছু পাওয়া যায়, যারা কথায় কথায় বলে কুরআন শরীফ হাদিস শরীফে এগুলো নাই তাই করা যাবেনা।

আমি নিম্নে কিছু বিষয় তাদের জন্য উল্লেখ করলাম, যারা সব কিছুকেই বিদয়াত বলে অভ্যস্ত তারা একটু জবাব দেনতো-

১) পবিত্র কুরআন শরীফ ৩০ পারা নির্ধারন, রুকু নির্ণয় করা, যের, যবর, পেশ দেয়া, কাগজে কিতাব আকারে বাঁধাই করা এসব কুরআন হাদীস থেকে প্রমাণ করেন। এগুলো করার নির্দেশ কি কুরআন হাদিসে আছে?

২) হাদীছ শরীফকে পুস্তক আকারে একত্রিত করা। কিতাবকে সুনান, মুসনাদ, মুজাম, জামে ইত্যাদি স্তর বিন্যাস করা। ছিয়া ছিত্তাহ নির্ধারন করা। বুখারী শরীফ মুসলিম শরীফকে একমাত্র সহীহ কিতাব বলা। সহীহ, দ্বয়ীফ, হাসান, মুরসাল, মায়াল্লাক, শায, মুনকাতে, মাওজু নামকরন করা। হাদীছ শরীফের জন্য উছুল নির্ধারন করা এসব কুরআন শরীফ হাদীছ শরীফ থেকে প্রমাণ করেন।

৩) দলীল চাইলে বুখারী মুসলিম থেকে চাওয়া এটা কুরআন হাদীছ থেকে প্রমাণ করুন।

৪) নামায, রোজা, হজ্জ, যাকাত এই ইবাদত সমূহে কোনটা ফরয, কোনটা ওয়াজিব, কোনটা মুস্তাহাব, কোনটা নফল তা কুরআন হাদীছ থেকে প্রমাণ করুন।

যদি দলীল দিয়ে প্রমাণ করতে না পারেন তাহলে উপরোক্ত বিষয় গুলো বিদয়াত। যদি বিদয়াত হয় তবে কি আপনি তা বর্জন করেছেন? না করলে আপনি নিজ ফতওয়াতে কি নিজেই মুনাফিক সাব্যস্থ হচ্ছেন না?


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: