3.28.2018

দেবীর জন্য লিখা রবী ঠগের জাতীয় সঙ্গীত গাইতে কুরআনের কোথায় নিষেদ আছে?


বাতিলের বিরুদ্ধে আমাদের কলম চলে খোঁদার বলে, যাদের বিপক্ষে, যেসব বিষয়ের বিপক্ষে আমাদের কলম একবার উঠেছে তারা সবাই নির্মূল হয়েগেছে, আমরা চাইনি আমাদের কলম বিচারপতি দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি আতাউর রহমান খানের বিরুদ্ধেও উঠুক কিন্তু আফসোস কিছুই করার নাই। এইতো গত বছর আমাদের কলম বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি মালউন এস কে সিনহার বিপক্ষে উঠেছিলো আজকে তাকে কুত্তাও চাটেনা।

যাইহোক মূল কথায় ফিরে আসি, মাদ্রাসায় জাতীয় সংগীত গাওয়া বাধ্যতামূলক করে সরকারের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট উত্থাপিত হয়নিমর্মে খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেয়।

আদালত রিটকারী আইনজীবী মুহম্মদ তৈমুর আলম খন্দকারকে উদ্দেশ করে বলে, ‘আপনি দেখান পবিত্র কোরআনের কোথায় আছে জাতীয় সংগীত গাওয়া যাবে না? পবিত্র কোরআনের কোথাও নেই যে জাতীয় সংগীত গাওয়া যাবে না।

অদালত আরো বলে, আগে তো মাদ্রাসার সিলেবাসে অঙ্ক, ইংরেজি, বিজ্ঞান বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল না। যুগের চাহিদা অনুযায়ী সে বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ইসলাম ধর্ম ডে বাই ডে (দিন দিন) উন্নত হচ্ছে। প্রক্ষান্তরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ক্ষতি করার জন্যই এ রিট করা হয়েছে বলে মন্তব্য করে আদালত।

আদালত বলেছে, ‘স্কুলের শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংগীত গাইবে আর মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা গাইবে না, এটা তো হতে পারে না। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা দেশের বাইরে গেলে যখন বিদেশিরা জাতীয় সংগীতের বিষয়ে জানতে চাইবে তখন শিক্ষার্থীরা কী জবাব দেবে?’

আদালত রিটকারী আইনজীবীকে উদ্দেশ করে বলেছে, ‘ব্রিটিশ আমলে আমরা ইংরেজি না শিখে পিছিয়ে পড়েছিলাম। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে দিতে এ ধরনের রিট করা হয়েছে।

এর আগে গত সপ্তাহে কুড়িগ্রামের সুখদেব ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম মিয়া ও ঢাকার কদমতলা মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবক এ রিট দায়ের করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মুহম্মদ তৈমুর আলম খন্দকার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে শতাধিক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া বাধ্যতামূলক হলেও কওমি ও আলিয়া মাদ্রাসায় এই চর্চা নেই। সম্প্রতি সরকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত গাওয়া বাধ্যতামূলক করে আদেশ জারি করে।

খবর সূত্রঃ https://bit.ly/2ITZVK1

বিচারপতির ভাবে বোঝা যাচ্ছে সে অর্থ সহ কোরআনের হাফেজ!! কোরআনের কোথায় আছে বা নাই সেইটা সে জানার মতো জ্ঞান কি তার আছে??

প্রথমে সেই বিচারপতির জানা প্রয়োজন যেঃ পবিত্র দ্বীন ইসলামে গান বাজনা সম্পূর্ণ হারাম কেউ যায়েজ মনে করলেই মুরতাদ হয়েযাবে। তাই বিচারপতির নিকট প্রশ্ন হলো দেবীর উদ্যেশ্যে রবি ঠাকুরের লিখা গান যায়েজ করতে কুরআন কে মধ্যিখানে এনে কি নিজের ঈমান বলবৎ রাখতে পেরেছো?

সংক্ষেপে বোঝার জন্যঃ গান সম্পর্কে বলতে গিয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা লোকমান শরীফের ৬ নং আয়াত শরীফে গান বা সঙ্গীতকে হারাম ঘোষণা করে বলেছেনঃ [وَمِنَ النَّاسِ مَن يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَن سَبِيلِ اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّخِذَهَا هُزُوًا أُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُّهِينٌ]

বাংলা অনুবাদঃ একশ্রেণীর লোক আছে যারা মানুষকে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তা থেকে পথভ্রাষ্ট করার উদ্দেশে অবান্তর শব্দমালা সংগ্রহ করে অন্ধভাবে এবং সেগুলি দ্বারা ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। এদের জন্য রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি।

এই আয়াত শরীফে বলা হয়েছে, যে লোক লাহওয়াল হাদীছঅবলম্বন করে, সে দোজখের কঠিন শাস্তি প্রাপ্ত হবে, কাজেই তা হারাম।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে লাহওয়াল হাদীছমূলত কি?

উক্ত আয়াত শরীফে বর্ণিত লাহওয়াল হাদীছএর ব্যাখ্যায় তাফসীরে ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহিতে বলা হয়েছেঃ লাহওয়াল হাদীছ’-এর অর্থ সঙ্গীত।

দেখে নিতে পারেনঃ পবিত্র তাফসীর ইবনে কাসির রহমতুল্লাহি, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, তৃতীয় সংস্করণ, অষ্টম খন্ড, ৬৫৮ পৃষ্টা (https://bit.ly/2DZXthv)

বিচারপতির আসনে বসে দস্তগির মিয়া আর আতাউর মিয়া নিজেদের খুব ক্ষমতাবান মনে করছো? তোমরা ক্ষমতাবানরা যারা নিজেদের মুসলমান বলে মনে করে তারা কি নিচের আয়াত শরীফ সম্পর্কে অবগত?

মহান আল্লাহ পাক বলেনঃ [وَالَّذِينَ سَعَوْا فِي آيَاتِنَا مُعَاجِزِينَ أُولَٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مِنْ رِجْزٍ أَلِيمٌ] যারা এই জমিনে প্রধান্য পাওয়ার জন্য আমার আয়াত কে ব্যর্থ করার চেষ্টা করে তাদের জন্য আখেরাতে ভয়ংকর যন্ত্রনাদায়ক মর্মন্তুদ সাস্তি রয়েছে।

পবিত্র সূরাহ সাবাহ্ শরীফঃ আয়াত শরীফ ৫।

তুমি আজকেঃ রাষ্ট্রপতি? প্রধানমন্ত্রী? মন্ত্রী, এমপি? বিরোধী দলিও নেত্রী? এসপি, ডিসি, পুলিশ? র্‍্যাব? বিডিআর? আর্মি? এসবি? ডিবি? ইউএনও, টিওনও, চেয়ারম্যান?

একবার চিন্তা করো তোমার অবস্থানে থাকা ১০০ বছরে আগের মানুষটি আজ কোথায়?

১ সেকেন্ডের ভরসা নাই তোমার, আমার তাও ক্ষমতা দেখাও মহান আল্লাহ পাক আর উনার কুরআন শরীফ, হাদিস শরীফের বিরুদ্ধে?

তবে জেনে রেখো মহান আল্লাহ পাক বলছেনঃ [وَالَّذِينَ يَسْعَوْنَ فِي آيَاتِنَا مُعَاجِزِينَ أُولَٰئِكَ فِي الْعَذَابِ مُحْضَرُونَ] আর যারা আমার আয়াত শরীফ সমূহকে নানা কৌশলে ব্যর্থ করে দিতে চেয়েছে, তারা হামেশাই কঠিন আযাবে পড়ে থাকবে।

শুধু কি তাই? তিনি আরো বলেছেনঃ

আর যারা কাফের হয়েছে, তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের আগুন। তাদেরকে মৃত্যুর আদেশও দেয়া হবে না যে, তারা মরে যাবে এবং তাদের থেকে তার শাস্তিও লাঘব করা হবে না। আমি প্রত্যেক অকৃতজ্ঞকে এভাবেই শাস্তি দিয়ে থাকি।সেখানে তারা আর্ত চিৎকার করে বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা, বের করুন আমাদেরকে, আমরা সৎকাজ করব, পূর্বে যা করতাম, তা করব না। (আল্লাহ পাক বলবেন) আমি কি তোমাদেরকে এতটা বয়স দেইনি, যাতে যা চিন্তা করার বিষয় চিন্তা করতে পারতে? উপরন্তু তোমাদের কাছে সতর্ককারীও আগমন করেছিল। অতএব আস্বাদন কর। জালেমদের জন্যে কোন সাহায্যকারী নেই।

পবিত্র সূরাহ সূরা ফাতির শরীফ, আয়াত শরীফ ৩৬,৩৭।

পরিশেষে, স্কুল কলেজে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে কোন সমস্যা নেই, সমস্যা হচ্ছে রবি ঠাকুরের শিরকি জাতীয় সঙ্গীতে। সময় হয়েছে দেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন করার জন্য মামলা দায়ের করার। এরপর বিচারপতিরা কি রায় দেয় তা দেখলেই তাদের দেয়া রায়ের উদ্দেশ্যও ক্লিয়ার হয়ে যাবে।

কেউ সম্ভব হলে এই লিখাটা প্রিন্ট করে সেই দুই বিচারপতিকে দিয়ে দিও। আর বলে দিও আপনারা সামান্য বাংলাদেশের বিচারপতি যারা ক্ষনিকের ক্ষমতাবলে এদেশের আইন কে বদলাতে পারেন কিন্তু যারা হক্বিকতে খোঁদার সৈনিক তারা সমস্থ কায়েনাতের নিয়ন্ত্রকারির ছায়াতলে থাকেন যাদের দ্বারা আপনাদের বাতাস মুহূর্তেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

1 comment:

  1. বাংলাদেশে ৯৮% মুসলমান এইদেশে কাট্টা কাফির রবি ঠগের রবীন্দ্রসংগীত চলতে পারে না..অচিরেই বন্ধ করে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসুলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লিখা ক্বাছীদা শরীফ সমস্ত জায়গায় জারি করতে হবে।

    ReplyDelete