4.04.2020

বর্তমানে ১০০% শরীয়ত মেনে সম্মানিত পবিত্র হজ্জ পালন করা কি সম্ভব?


বাতিল ফিরকার অনুসারী ও মূর্খ ভন্ড পিরদের মুরিদদের মূর্খতার জবাব। মূলত এরা কুরআন শরীফ হাদিস শরীফ অধ্যায়ন করেনা এবং তাকওয়া-ও নাই এদের মধ্যে, এরা আদতে জানেইনা মহান আল্লাহ পাক কি বলেছেন পবিত্র হজ্জ এর ব্যপারে।

যারা পবিত্র হজ্জ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক উনার হুকুম কি তা না জেনে হজ্জ ফরজ হজ্জ ফরজ বলে লাফালাফি করছো তাঁরা মূলত মহান আল্লাহ পাক উনাকেই অস্বীকার করছো।

মহান আল্লাহ পাক বলেনঃ [الْحَجُّ أَشْهُرٌ مَّعْلُومَاتٌ فَمَن فَرَضَ فِيهِنَّ الْحَجَّ فَلاَ رَفَثَ وَلاَ فُسُوقَ وَلاَ جِدَالَ فِي الْحَجِّ وَمَا تَفْعَلُواْ مِنْ خَيْرٍ يَعْلَمْهُ اللّهُ وَتَزَوَّدُواْ فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوَى وَاتَّقُونِ يَا أُوْلِي الأَلْبَابِ]
অর্থাৎ: পবিত্র হজ্জ্বের জন্য নির্ধারিত কয়েকটি মাস আছে।[১] এসব মাসে যে লোক পবিত্র হজ্জ্বের পরিপূর্ণ নিয়ত করবে, তার জন্য স্ত্রী সহবাস জায়েজ নয়।[২] জায়েজ নয় কোনো ফাসেকি কাজ করা[৩] এবং ঝাগড়া-বিবাদ করাও পবিত্র হজ্জ্বের সেই সময় জায়েজ নয়।[৪] আর তোমরা যাকিছু সৎকাজ কর, মহান আল্লাহ পাক তিনি তো তা জানেন।[৫] আর তোমরা পাথেয় সাথে নিয়ে নাও।[৬] নিঃসন্দেহে সর্বোত্তম পাথেয় হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার ভয় (তাকওয়া)। আর আমার ভয়(তাকওয়া অবলম্বন) করতে থাকো, হে জ্ঞানী লোকেরা! তোমাদের উপর তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ করায় কোন পাপ নেই।[৭]

আয়াত শরীফের ব্যখা নিচে বর্ণনা করা হলোঃ

[১] যারা পবিত্র হজ্ব অথবা উমরা করার নিয়্যতে এহ্‌রাম বাঁধেন, তাদের উপর এর সকল অনুষ্ঠানক্রিয়াদি সম্পন্ন করা ওয়াজিব হয়ে পড়ে। এ দু'টির মধ্যে উমরার জন্য কোন সময় নির্ধারিত নেই। বছরের যে কোন সময় তা আদায় করা যায়। কিন্তু পবিত্র হজ্বের মাস এবং এর অনুষ্ঠানাদি আদায়ের জন্য সুনির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারিত রয়েছে। কাজেই এ আয়াত শরীফের শুরুতেই বলে দেয়া হয়েছে যে, পবিত্র হজ্বের ব্যাপারটি উমরার মত নয়। এর জন্য কয়েকটি মাস রয়েছে, সেগুলো প্রসিদ্ধ ও সুবিদিত। আর তা হচ্ছে শাওয়াল, যিল্‌ক্বদ ও জিলহজ্ব। পবিত্র হজ্বের মাস শাওয়াল হতে আরম্ভ হওয়ার অর্থ হচ্ছে, এর পূর্বে পবিত্র হজ্বের এহ্‌রাম বাঁধা জায়েয নয়।

[২] (رفث) , ‘রাফাসএকটি ব্যাপক শব্দ, যাতে স্ত্রী সহবাস ও তার আনুষাঙ্গিক কর্ম, স্ত্রীর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা, এমনকি খোলাখুলিভাবে সহবাস সংক্রান্ত আলাপ আলোচনাও এর অন্তর্ভুক্ত। এহ্‌রাম অবস্থায় এ সবই হারাম। হাদীছ শরীফে এসেছে, রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে কেউ এমনভাবে পবিত্র হজ্জ সম্পাদন করবে যে, তাতে রাফাস’, ‘ফুসূকজিদালতথা অশ্লীলতা, পাপ ও ঝগড়া ছিল না, সে তার হজ্জ থেকে সে দিনের ন্যায় ফিরে আসল যেদিন তাকে তার মা জন্ম দিয়েছিলেন। " [বুখারী শরীফঃ ১৫২১, মুসলিম শরীফ ১৩৫০]

[৩] (فسوق) ফুসুকএর শাব্দিক অর্থ বের হওয়া। আল কুরআনের পরীভাষায় নির্দেশ লংঘন বা নাফরমানী করাকে ফুসুকবলা হয়। সাধারণ অর্থে যাবতীয় পাপকেই ফুসুক বলে। তাই অনেকে এস্থলে সাধারণ অর্থই নিয়েছেন। কিন্তু আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ফুসুকশব্দের অর্থ করেছেন - সে সকল কাজ-কর্ম যা এহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ। স্থান অনুসারে এ ব্যাখ্যাই যুক্তিযুক্ত। কারণ সাধারণ পাপ এহ্‌রামের অবস্থাতেই শুধু নয়; বরং সবসময়ই নিষিদ্ধ। যে সমস্ত বিষয় প্রকৃতপক্ষে নাজায়েয ও নিষিদ্ধ নয়, কিন্তু এহরামের জন্য নিষেধ ও নাজায়েয, তা হচ্ছে ছয়টিঃ
(১) স্ত্রী সহবাস ও এর আনুষাঙ্গিক যাবতীয় আচরণ; এমনকি খোলাখুলিভাবে সহবাস সংক্রান্ত আলাপ-আলোচনা।
(২) স্থলভাগের জীব-জন্তু শিকার করা বা শিকারীকে বলে দেয়া।
(৩) নখ বা চুল কাটা।
(৪) সুগন্ধি দ্রব্যের ব্যবহার। এ চারটি বিষয় নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের জন্যই এহ্‌রাম অবস্থায় হারাম বা নিষিদ্ধ। অবশিষ্ট দুটি বিষয় পুরুষের সাথে সম্পৃক্ত।
(৫) সেলাই করা কাপড় পোষাকের মত করে পরিধান করা।
(৬) মাথা ও মুখমণ্ডল আবৃত করা। আলোচ্য ছয়টি বিষয়ের মধ্যে স্ত্রী সহবাস যদিও ফুসুকশব্দের অন্তর্ভুক্ত, তথাপি একে 'রাফাস' শব্দের দ্বারা স্বতন্ত্রভাবে এজন্যে ব্যক্ত করা হয়েছে যে, এহ্‌রাম অবস্থায় এ কাজ থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, এর কোন ক্ষতিপূরণ বা বদলা দেয়ার ব্যবস্থা নেই। কোন কোন অবস্থায় এটা এত মারাত্মক যে, এতে পবিত্র হজ্জই বাতিল হয়ে যায়। অবশ্য অন্যান্য কাজগুলোর কাফ্‌ফারা বা ক্ষতিপূরণ দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। আরাফাতে অবস্থান শেষ হওয়ার পূর্বে স্ত্রী সহবাস করলে পবিত্র হজ্ব ফাসেদ হয়ে যাবে। গাভী বা উট দ্বারা এর কাফ্‌ফারা দিয়েও পরের বছর পুনরায় হজ্ব করতেই হবে। এজন্যেই (فَلَا رَفَثَ) শব্দ ব্যবহার করে একে স্বতন্ত্রভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

[৪] (جدال) শব্দের অর্থ একে অপরকে পরাস্ত করার চেষ্টা করা। এ জন্যেই বড় রকমের বিবাদকে (جدال) বলা হয়। এ শব্দটিও অতি ব্যাপক। কেউ কেউ এস্থলে ফুসুকজিদালশব্দদ্বয়কে সাধারণ অর্থে ব্যবহার করে এ অর্থ নিয়েছেন যে, ‘ফুসুকজিদালসর্বক্ষেত্রেই পাপ ও নিষিদ্ধ, কিন্তু এহরামের অবস্থায় এর পাপ গুরুতর। পবিত্র দিনসমূহে এবং পবিত্র স্থানে, যেখানে শুধুমাত্র আল্লাহ্‌র ইবাদাতের জন্য আগমন করা হয়েছে এবং লাব্বাইকা লাব্বাইকা' বলা হচ্ছে, এহরামের পোষাক তাদেরকে সবসময় এ কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে যে, তোমরা এখন ইবাদাতে ব্যস্ত, এমতাবস্থায় ঝগড়া-বিবাদ ইত্যাদি অত্যন্ত অন্যায় ও চরমতম নাফরমানীর কাজ। [মারিফুল কুরআন]

[৫] ইহরামকালে নিষিদ্ধ বিষয়াদি বর্ণনা করার পর উল্লেখিত বাক্যে হিদায়াত করা হচ্ছে যে, পবিত্র হজ্জের পবিত্র সময় ও স্থানগুলোতে শুধু নিষিদ্ধ কাজ থেকেই বিরত থাকা যথেষ্ট নয়, বরং সুবর্ণ সুযোগ মনে করে আল্লাহ্‌র যিক্‌র ও ইবাদাত এবং সৎকাজে সদা আত্মনিয়োগ কর। তুমি যে কাজই কর না কেন, আল্লাহ্ তা'আলা তা জানেন। আর এতে তোমাদেরকে অতি উত্তম প্রতিদানও দেয়া হবে।

[৬] এ আয়াতে ঐ সমস্ত ব্যক্তির সংশোধনী পেশ করা হয়েছে যারা পবিত্র হজ্জ ও উমরাহ করার জন্য নিঃস্ব অবস্থায় বেরিয়ে পড়ে। অথচ দাবী করে যে, আমরা আল্লাহ্‌র উপর ভরসা করছি। পক্ষান্তরে পথে ভিক্ষাবৃত্তিতে লিপ্ত হয়। নিজেও কষ্ট করে এবং অন্যকেও পেরেশান করে। তাদেরই উদ্দেশ্যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে যে, পবিত্র হজ্জের উদ্দেশ্যে সফর করার আগে প্রয়োজনীয় পাথেয় সাথে নেয়া বাঞ্ছনীয়, এটা তাওয়াক্কুলের অন্তরায় নয়। বরং মহান আল্লাহ পাক উনার উপর ভরসা করার প্রকৃত অর্থই হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক প্রদত্ত আসবাব পত্র নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী সংগ্রহ ও জমা করে নিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার উপর ভরসা করা। রাসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তাওয়াক্কুলের এই ব্যাখ্যাই বর্ণিত হয়েছে।

[৭] অর্থাৎ আমার শাস্তি, আমার পাকড়াও, আমার লাঞ্ছনা থেকে নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রাখ। কেননা, যারা আমার নির্দেশ অনুসারে চলে না, আমার নিষেধ থেকে দূরে থাকে না তাদের উপর আমার আযাব অবধারিত।

পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: আয়াত শরীফ ১৯৭।

এখন দেখা গেলো হজ্জে গিয়ে অশ্লীল অশালীন কাজ ও ফাসেকী কাজ করা যাবেনা বরং সম্পূর্ণ হারাম এখন কি মহান আল্লাহ পাক উনার হুকুম মানবে নাকি গোমরাহ দেরকে অনুসরন করবেন? যারা অশ্লীল অশালীন কাজ ও ফাসেকী কাজ করতে বাধ্য করবে?

মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই হজ্ব ফরয করেছেন। এবং বেপর্দা হওয়া হারাম করেছেন। পর্দাকে ফরয করেছেন।

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছবি তোলাকে হারাম করেছেন। অথচ পার সেকেন্ড কাবা শরীফের ভেতর প্রায় ২০০০০ হাজারের মত ছবি তোলা হয় নারিপুরুষ উভয়ের।

ছবি তোলা হারাম ও কতো বড় গুনাহ তার দলিলঃ

১) মুসলিম শরীফ ২য় জিঃ পৃঃ ২০১।
২) বুখারী শরীফ, কিতাবুললিবাছ, বাবুত তাছাবীর, ২য় জিঃ ৮৮০ পৃষ্ঠা।
৩) মিশকাত শরীফ পৃঃ ৩৮৫।
৪) মুসলিম শরীফ ২য় জিঃ পৃঃ ২০২।
৫) বুখারী শরীফ ২য় জিঃ পৃঃ ৮৮১।
৬) মুসলিম শরীফ ২য় জিঃ পৃঃ ২০০।
৭) তিরমিযি শরীফ ১ম জিঃ পৃঃ ২০৭।
৮) আবু দাউদ শরীফ ২য় জিঃ পৃঃ ২১৯।
৯) মুছান্নাফ ইবনে আবী শায়বা ২য় জিঃ পৃঃ৪৬।
১০) মুসনদে আহমদ ২য় জিঃ পৃঃ২১৭।
১১) মুছান্নেফ ইবনে আবী শায়বা ৮ম জিঃ পৃঃ২৯৬।
১২) তাহাবী ২য় জিঃ পৃঃ ৩৬৩।

জাহিল ও মুনাফিকরা ছবি ও বেপর্দা হয়ে হারাম পন্থায় ফাসেকি কাজ দিয়ে হজ্জ ব্যবস্থা প্রতিকূল করে তুলেছে। পুরুষ মহিলা একসাথে তাওয়াফ করছে। অথচ উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দিকা আলাইহাস সালাম তিনি বলেনঃ كان الركبان يمرون بنا و نحن محرمات مع الرسول فإذا حاذونا سدلت إحدانا جلبابها على وجهها من رأسها فإذا جاوزنا كشفناه.

বাংলা অর্থঃ আমরা রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে এহরাম অবস্থায় ছিলাম, উষ্ট্রারোহী পুরুষরা আমাদের পার্শ্বদিয়ে অতিক্রম কালে আমাদের মুখামুখি হলে আমরা মাথার উপর থেকে চাদর টেনে চেহারার উপর ঝুলিয়ে দিতাম। তারা আমাদেরকে অতিক্রম করে চলে গেলে আমরা মুখমন্ডল খুলে দিতাম। (আহমাদ শরীফ, আবু দাউদ শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ)

এখন আমরা কি এক ফরয পালন করতে গিয়ে বেপর্দা হবো নারী পুরুষদের ভেদাভেদ ভুলে যাবো একসাথে ধাক্কাধাক্কি ঘষাঘষি করে তাওয়াফ করবো? যেখানে পুরুষ আর মহিলাদের জন্যে ১৪ জন ব্যতীত দেখা সম্পূর্ণ হারাম এবং আরো হাজারো আদেশ মুবারক অমান্য করবো?

দলিল পবিত্র আল কুরআন থেকেঃ

- পবিত্র সুরা নূর শরিফঃ আয়াত শরিফঃ ৩০, ৩১।
- সূরা আহযাব শরিফঃ আয়াত শরিফঃ ৩২, ৩৩, ৫৩, ৫৯।

দলিল পবিত্র হাদিস শরীফ, তাফসীর, ফতওয়া থেকেঃ

- সহীহ বুখারী শরীফঃ হাদীস শরীফ ৩২৪, ৪৭৫৭, ১৮৩৮, ৪৮৫০।
- আবু দাউদ শরীফ ২/৪৫৭।
- মুসতাদরাকে হাকীম ২/১০৪।
- তিরমিযী শরীফ।
- আহমাদ শরীফ।
- ইবনে মাজাহ শরীফ।
- তাফসীরে ইবনে কাসীর ৩/৮০৪।
- আহকামুল কুরআন।
- জাসসাস ৩/৩৬৯।
- ফাতহুল বারী ২/৫০৫, ৮/৩৪৭।
- উমদাতুল কারী ৪/৩০৫
- মাআরিফুস সুনান ৬/৯৮
- তাকমিলা ফাতহুল মুলহিম ৪/২৬৮
- মাজমুআতুল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়া ২২/১০৯, ১১৪।
- আহসানুল ফতোয়া খণ্ড ৫ পৃষ্টা ১৯৯।
- এয়ালাউস সুনান খণ্ড ১৭ পৃষ্টাঃ ৮২১।
- আহকামুল কোরআন খণ্ড ৩ পৃষ্টাঃ ৪২২।
- আহসানুল ফতোয়া ৮/৪০।
- এমদাদুল ফতোয়া ৪/২০০।
- তাফসীরে কুরতবী ১৪/২৪৩।
- তাফসীরে তবারী ১০/৩৩১।
- তাফসীরে তবারী ১০/৩৩২।
- আহকামুল কোরআন ৩/৪১০।
- তাফসীরে ইবনে কাসীর ৩/৮২৪।
- আহকামুল কুরআন, জাসসাস ৩/৩৭২।
- তাফসীরে কুরতুবী ১৪/১৫৬।
- জামেউল বয়ান।
- তাফসীরে রূহুল মাআনী ২২/৮৮।

তাহলে আমরা কিছু অংশ মানবো আর কিছু অংশ মানবো না? মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই সম্মানিত পবিত্র হজ্জে গিয়ে হারাম, ফাহেশা ও ফাসেকী কাজ করতে নিষেধ করেছেন। তাহলে আমরা কি মহান আল্লাহ পাক উনার অনেকগুলি আদেশ অমান্য করে পবিত্র হজ্জ আদায় করে মনে করবো যে আমরা ফরজ হজ্জ আদায় করে ফেলেছি?


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 facebook: