Thursday, July 21, 2022

নিকৃষ্ট বিদ'আতি তরীকায় ঈদের ছ্বলাতের ইমামতি করলেন আহলে হাদিস প্রধান আসাদুল্লাহ আল গালিব

আসুন দেখি কারা দ্বীনে বিদ’আত সৃষ্টি করে? উপরের ছবিটা ভালো করে দেখুন, এটা আহলে হাদিস আন্দোলন বাংলাদেশের কর্ণধার আসাদুল্লাহ আল গালিবের। সে খ্রিষ্টানদের মতো বিদ’আতি তরীকায় কিভাবে চেয়ারে বসে ইমামতি করছে, নাউযুবিল্লাহ!!!

প্রথমে দেখি নামাযের নিদৃষ্ট কোন নিয়ম ফিক্সড করা আছে কি না শরীয়তে?

ইমরান বিন হুসায়ন রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ (عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، قَالَ كَانَ بِيَ النَّاصُورُ فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ صَلِّ قَائِمًا فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَقَاعِدًا فَإِنْ لَمْ تَسْتَطِعْ فَعَلَى جَنْبٍ) তিনি বলেন, আমি ভগন্দর রোগে আক্রান্ত ছিলাম। আমি নবী করীম ছ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লামের নিকট এ অবস্থায় নামায পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তুমি দাঁড়ানো অবস্থায় নামায পড়বে, তাতে সক্ষম না হলে (মাটিতে) বসে পড়বে, তাতেও সক্ষম না হলে কাত হয়ে শুয়ে (কিবলার দিকে মুখ করে) নামায পড়বে। (সুনানে ইবনে মাজাহ ৯৫২)

অতএব স্পষ্ট হয়ে গেলো, নামাযের নিদৃষ্ট একটি সুন্নত তরীকা আছে, এখন যে-ই এই তিন সুরতের বাহিরে গিয়ে নতুন কোন তরীকা তথা “চেয়ারে বসে নামায” আদায়ের আমল চালু করলো সেই বিদআতে সাইয়্যিয়াহ চালু করলো, যার পরিণাম সবশেষে যাহান্নাম। এছাড়াও খোদ রসূলে পাঁক ছ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম অসুস্থতার সময় টুল বা চেয়ারে বসে নামায পড়েন নাই সাহাবীদের নিয়ে। আনাস ইবনু মালিক রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, (عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَكِبَ فَرَسًا فَصُرِعَ فَجُحِشَ شِقُّهُ الْأَيْمَنُ فَصَلَّى صَلَاةً مِنْ الصَّلَوَاتِ وَهُوَ قَاعِدٌ وَصَلَّيْنَا وَرَاءَهُ قُعُودًا فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ إِنَّمَا جُعِلَ الْإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ فَإِذَا صَلَّى قَائِمًا فَصَلُّوا قِيَامًا وَإِذَا رَكَعَ فَارْكَعُوا وَإِذَا رَفَعَ فَارْفَعُوا وَإِذَا قَالَ سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ فَقُولُوا رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ وَإِذَا صَلَّى جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا أَجْمَعُونَ) “রসূলুল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম (একবার) এক ঘোড়ায় আরোহণ করেছিলেন। অতঃপর ঘোড়া হতে পড়ে উনার ডান পার্শ্বের (কিছু অংশ) ছিড়ে গিয়েছিল। ফলে (পাঞ্জেগানা) নামাযসমূহের কোন এক নামায তিনি বসে আদায় করেছেন। আমরাও উনার পেছনে বসে নামায আদায় করছিলাম। নামায শেষে তিনি বললেন, অনুসরণের জন্যই ইমাম নিযুক্ত করা হয়েছে। কাজেই ইমাম দাঁড়িয়ে নামায আদায় করলে তোমরাও দাঁড়িয়ে নামায আদায় কর, ইমাম রুকূতে গেলে তোমরাও রুকূতে যাও, ইমাম মাথা উঠালে তোমরাও মাথা তোল। ইমাম যখন سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলেন, তোমরা বল رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ আর ইমাম বসে নামায আদায় করলে তোমরা সকলেই বসে নামায আদায় কর। (মুআত্তা মালিক ১৭) অথচ গালিব যখন বিদআতি মনগড়া তরীকায় চেয়ারে বসে বৈঠক ও কল্লা সামান্য ঝুঁকিয়ে সেজদা করছে তখন তার পেছনে থাকা মুসল্লিরা মাটিতে বসেই সেজদা দিচ্ছে।

এখন এরূপ আমল করা যাবে? “না যাবেনা” কারণ এই বিষয়ে অন্য হাদিসে এসেছেঃ (عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهَا قَالَتْ صَلَّى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ شَاكٍ فَصَلَّى جَالِسًا وَصَلَّى وَرَاءَهُ قَوْمٌ قِيَامًا فَأَشَارَ إِلَيْهِمْ أَنْ اجْلِسُوا فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ إِنَّمَا جُعِلَ الْإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ فَإِذَا رَكَعَ فَارْكَعُوا وَإِذَا رَفَعَ فَارْفَعُوا وَإِذَا صَلَّى جَالِسًا فَصَلُّوا جُلُوسًا) আয়েশা সিদ্দিকা আলাইহাস সালাম থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম (একবার মাটিতে) বসে নমায আদায় করছিলেন, উনার পেছনে কিছু লোক দাঁড়িয়ে নামায আদায় করলে, তিনি তাঁদের বসে (নামায) আদায়ের জন্য ইশারা করলেন। তিনি যখন (নামায শেষ করে) ফিরলেন তখন বললেন, ইমাম মূলত অনুসরণ করার জন্যই নিযুক্ত করা হয়ে থাকে। তাই ইমাম (বসে) রুকূ করলে তোমরাও (বসে) রুকূ কর, ইমাম উঠলে তোমরাও উঠ, আর ইমাম বসে নামায আদায় করলে তোমরাও সকলে বসে নামায আদায় কর। (বুখারী শরীফ ৬৮৮, ১১১৩) এখন কথিত বিদআতি আহলে হাদিস ও লা মাজহাবিরা নিজেদের পিট বাঁচাতে বলতে পারে যে, বসা তো বসাই সেটা চ্যায়ারে হোক কিংবা মাটিতে, তখন এদের মুখে চাপটেঘাতের জন্য নিম্নক্ত হাদিসখানা উপস্থাপন করা হলো  (عَنْ جَابِرٍ ‏رضى الله عنه أَنَّ اَلنَّبِيَّ ‏صلى الله عليه وسلم ‏قَالَ لِمَرِيضٍ صَلَّى عَلَى وِسَادَةٍ , فَرَمَى بِهَا وَقَالَ صَلِّ عَلَى اَلْأَرْضِ إِنْ اِسْتَطَعْتَ وَإِلَّا فَأَوْمِئْ إِيمَاءً وَاجْعَلْ سُجُودَكَ أَخْفَضَ مِنْ رُكُوعِكَ) জাবির রদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী করীম ছ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লামের জনৈক রোগীকে বালিশের উপর (সেজদাহ দিয়ে) নামায আদায় করতে দেখে ওটাকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে বললেন, যদি পার যমীনে বা সমতল স্থানে (বসে) নামায আদায় করবে। তা না হলে এমনভাবে ইশারা ইঙ্গিতে নামায আদায় করবে যাতে তোমার সেজদার ইশারা রুকুর ইশারা অপেক্ষা নীচু হয়। (বুলুগুল মারাম ৩২৯)

অতএব স্পষ্ট হয়ে গেলো যে, যখন কোন সুন্নত তরীকার বিপরীত কোন আমল করা হবে, তখন ইহা বিদআতে সাইয়্যিয়াহ বলে গন্য হবে, আর যখন কোন বিদআতে সাইয়্যিয়াহ চালু হবে তখন একটি সুন্নত বিলুপ্ত হবে। যেমন রসূলে পাঁক ছ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম এই হাদিসে বলেনঃ “যখনই কোন সম্প্রদায় তাদের দ্বীনের মধ্যে কোন বিদ‘আত (বিদ’আতে সাইয়্যিয়াহ) সৃষ্টি করে, তখনই মহান আল্লাহ তা’আলা তাদের মধ্য হতে সেই পরিমাণ সুন্নত উঠিয়ে নেন। অতঃপর ক্বিয়ামত অবধি তা আর তাদের মধ্যে ফিরে আসে না’ (দারেমী ৯৮, মিশকাত ১৮৮)। আজকের দিনের মসজিদের দিকে তাকালে এর বাস্তব চিত্র পাওয়া যায়, সারা দুনিয়া ভালো মানুষের মতো ঘুরে ফিরে, অথচ মসজিদে ঢুকে খ্রিষ্টানদের মতো চেয়ার নিয়ে সামনের কাতারে চলে যায় আল্লাজির সম্মুখে বে আদবের মতো বসতে, এতোদিন ইহা ছিলো মুসল্লিদের আমল। বিদআতি কথিত আহলে হাদিস এখন ইমামদের ও চেয়ারে বসার বিদআতি তরীকা শিক্ষা দিচ্ছে যা নিচের ভিডিওতে দেখতে পাচ্ছেন।

আর উপরোক্ত হাদিসে আপনারা পড়েছেন অলরেডি যে, “যখনই কোন সম্প্রদায় তাদের দ্বীনের মধ্যে কোন বিদ‘আত (বিদ’আতে সাইয়্যিয়াহ) সৃষ্টি করে, তখনই মহান আল্লাহ তা’আলা তাদের মধ্য হতে সেই পরিমাণ সুন্নত উঠিয়ে নেন। অতঃপর ক্বিয়ামত অবধি তা আর তাদের মধ্যে ফিরে আসে না”।

এরা কিন্তু শুধু বিদআতে সাইয়্যিয়াহ সৃষ্টি করে যাহান্নামের লাকড়ি হবেনা, সাথে উম্মত থেকেও খারিজ হবে বলেছেন খোদ রসূলে পাঁক ছ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লামঃ (فَمَنْ رَغِبَ عَنْ سُنَّتِي فَلَيْسَ مِنِّي) অতএব যে ব্যক্তি আমার সুন্নত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, সে আমার কেউ নয়” (মুসলিম শরীফ ১৪০১) অর্থাৎ যে কোন একটি বাধ্যতামূলক সুন্নত আমলকে পরিত্যাগ করে সে রসূলে পাঁক ছ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।

অতএব স্পষ্ট হয়ে গেলো যে, একজন মানুষ ইমামতি করুক আর একাই নামায পড়ুক, অসুস্থ হলে সে দাঁড়িয়ে, নয়তো বসে, নয়তো শুয়ে ইশারায় আদায় করবে। এটাই সুন্নত তরিকা, এটাই বিগত ১৪০০ বছর ধরে চলে আসছে, আজকের মতো আরাম আয়েশের জীবনযাপন ছিলনা সেসময়, হাজার হাজার সাহাবীর পা ছিলনা, হাত ছিলনা জ্বিহাদ করে, অনুরূপ লাখ লাখ মুজাহিদে ইসলাম শতাব্দীর পর শতাব্দী অসুস্থ হয়েছেন, কেউ কখনো জমিন রেখে ইবলিসের মতো সিংহাসনে আরাম করে বে আদবের মতো আল্লাজীর সম্মুখে নামাজে বসেন নাই, এর বিপরীত যেকোন নতুন তরিকাই বিদ’আত কেউ মানুক আর না মানুক কিছুই আসে যায়না, কুফফার কিছু না মানলে নবীর সুন্নতের কিছুই আসে যাবেনা।

এরা হয়তো জানেই না যে নামাযের যে সূরত তা হচ্ছে সম্মুখে মহান আল্লাহ পাঁক, পেছনে মালাকুল মাওত আলাইহিস সালাম, ডানে বেহেশত, বামে দোজখ। এমন কোন কলিজা ওয়ালা মুমিন আছে দুনিয়ায়, যে আল্লাজীর সম্মুখে চার্চে খ্রিস্টানদের উপাসনার অনুসরণ করে নামাজে দাঁড়াবে, বসবে? রসূলে পাঁক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম কি বলেন নাই হাদিসেঃ (مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ) যে ব্যক্তি কোনো জাতির (ইবাদত, কৃষ্টি, কালচারের) অনুসরণ, অনুকরণ বা সাদৃশ্য অবলম্বন করে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে। (আবু দাউদ শরীফ ৪০৩১)

জানার বিষয় হলোঃ রসূলে পাঁক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্মদিন উপলক্ষ্যে রোজা রেখেছেন, উম্মত তা হুবুহু না করে মোববাতি জ্বালিয়ে কেক কাটলে জানি কার অনুসরণ হয়?

বলি চেয়ারে বসে ইবাদত কাদের সুন্নত? রসূলে পাঁক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম উনার? খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের? সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের? তাবেঈ-তবে তাবেঈন রহমতুল্লাহী আলাইহিম উনাদের? উনারাই না সলফে সালেহিন? এই সলফে সালেহিনদের কোন একজনের আমল কোন আহলে হদস দেখাতে পারবে? খোদ দ্বিতীয় খলীফা উমর ইবনুল খত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু আনহু ওয়া আলাইহিস সালাম হিজরি ২৩ সালের ২৬ জিলহজ্জে প্রতিদিনকার মতো নিয়মিত ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে গমন করেন। ইমামতী করার জন্য আল্লাহু আকবার বলে নিয়ত করার সাথে সাথে মুগীরা ইবনে শোবা রদ্বিয়াল্লাহু আনহুর গোলাম আবু লুলু লানতুল্লাহ খঞ্জর হাতে অগ্রসর হয়, সে নামাজিদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। আকস্মিকভাবে সে দোধারী খঞ্জর দ্বারা আমিরুল মোমেনীনের ওপর পর পর ছয়টি আঘাত করে। একটি আঘাত নাভির নিচে লাগে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তিনি আবদুর রহমান ইবনে আওফ রদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে নামাজের ইমামতি করার জন্য বলেন। আহত খলিফা জমিনে ঠেক দিয়ে নামাজ আদায় করেন। এছাড়াও বাকি যে কয়দিন উনি জীবিত ছিলেন চেয়ার টুলে চৌকিতে বসে নামায আদায় করেছেন এরূপ কোন প্রমান কিয়ামত পর্যন্ত সময় কেউ দিতে পারবেনা। জাহেলরা আহলে হাদিস দাবী করে অথচ হাদিসের “হ” টাও বুঝেনা।

আর রসূলে পাঁক ছ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম উনার হুকুম, আদেশ নিষেধ মানা ফরজ, কেউ গুরুর দেখাতে গিয়ে অস্বীকার করলে কাফের। মহান আল্লাহ পাঁক বলেনঃ (وَ مَاۤ اٰتٰىکُمُ الرَّسُوۡلُ فَخُذُوۡهُ ٭ وَ مَا نَهٰىکُمۡ عَنۡهُ فَانۡتَهُوۡا ۚ وَ اتَّقُوا اللّٰهَ ؕ اِنَّ اللّٰهَ شَدِیۡدُ الۡعِقَابِ ۘ) রসূল (ছ্বল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদেরকে যা (অনুমতি) দেন তা গ্রহণ কর, আর যা থেকে তিনি তোমাদের নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাকো, এবং মহান আল্লাহ তা’আলাকেই ভয় কর, নিশ্চয় শাস্তি প্রদানে মহান আল্লাহ তা’আলা (অত্যন্ত) কঠোর। (আল কুরআন ৫৯/৭)


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 ফেইসবুক: