যেকোন শিয়ার সাথে ছুন্নীদের তর্ক হলেই যে বিষয়গুলো তারা সম্মুখে নিয়ে আসে, তার মধ্যে অন্যতম হলো বাগ্ব-ই-ফাদাক, তাদের বক্তব্য হচ্ছে ছাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দিক-ই-আকবর রদ্বিআল্লাহু আনহু কেন ছাইয়্যিদাতু নিছায়ীল যান্নাহ হযরত ফাতিমা তুজ্জজাহরা য়ালাইহাছ ছালাম-কে ফাদাক বাগান দেননি? মরদুদ শিয়ারা বারবার এই প্রশ্নটি করে, কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই অভিযোগের ভিত্তি নেই বলেই তারা বারবার ফ্রেম বদলায়ঃ কখনো বলে এটি “মালে ফয়”, কখনো বলে “হিবা/দান”, আবার কখনো বলে “মিরাশ”।
তো এর কি কোন সুষ্ট জবাব নাই?
দুনিয়া কোথায় থেকে কোথায় পৌঁছে গেল, আর এই মরদুদ শিয়ারা এখনো বাগ্ব-ই-ফাদাক নিয়ে জিহাদ চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের এই জিহাদ দেখে মনে হচ্ছে ফাদাক যেনো কোনো বাগান নয় বরং হযরত আবু বকর ছিদ্দিক রদ্বিআল্লাহু তাদের জান্নাত ছিনিয়ে নিয়েছেন।
যাইহোক, হযরত আবু বকর ছিদ্দিক রদ্বিআল্লাহু ফাদাকের সেই অংশটুকু যা হযরত ফাতিমা তুজ্জজাহরা য়ালাইহাছ ছালামের প্রাপ্য ছিল, তা দিয়েছেন; কিন্তু যা ওনার প্রাপ্য ছিল না, তা দেননি। শিয়াদের পক্ষ থেকে এই মিথ্যা কথা বলা হয় যে ফাদাক দখল করে নেওয়া হয়েছে, কিছুই দেওয়া হয়নি। অথচ এইসব মিথ্যা প্রোপাগান্ডা। অবশ্যই দেওয়া হয়েছে, তবে শুধু ওনার প্রাপ্য অংশটুকুই দেওয়া হয়েছে।
আমি এই মরদুদ শিয়াদের সকল পথ বন্ধ করে দিচ্ছি দলিল ভিত্তিক। এরা পালানো ছাড়া কোন পথ পাবেনা।
১) ফাদাক যদি “মালে ফয়” হয় (তাহলে আল-ক্বুরআনের অকাট্য ফয়সালা)
দেখুন, ফাদাককে ‘মালে ফয়’ বলা হয়; এটি একদম ঠিক সেই জমি, যা কোনো যুদ্ধ ছাড়াই রছুলুল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লামের অধিকারে এসেছিল। এখন এর বন্টন কীভাবে হবে তা স্বয়ং মহান আল্লাহ তা’য়ালা আল-ক্বুরআনে বলে দিয়েছেন; অর্থাৎ, ফাদাকের মধ্যে অনেকগুলো অংশ বা ভাগ ছিল, অথচ শিয়ারা এটাকে একা ছাইয়্যিদাতু নিছায়ীল যান্নাহ হযরত ফাতিমা তুজ্জজাহরা য়ালাইহাছ ছালামের একার মাল বানিয়ে খোদার উপর খোদাগিরি করে কি মুর্তাদ হিসেবে প্রমাণিত হয়না?
ফাদাকে রছুলুল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লামের একটি অংশ ছিল, এরপর উনার নিকটাত্মীয়দের, এতিমদের, অভাবী (মিছকিন) এবং মুসাফিরদেরও অংশ ছিল। এই সমস্ত অংশ স্বয়ং মহান আল্লাহ তায়ালা নিজে করেছেন এবং ছুরাহ হাশরে ঠিক এইভাবে এসেছেঃ (وَمَا أَفَاءَ ٱللَّهُ عَلَىٰ رَسُولِهِۦ مِنْهُمْ فَمَآ أَوْجَفْتُمْ عَلَيْهِ مِنْ خَيْلٍ وَلَا رِكَابٍ وَلَـٰكِنَّ ٱللَّهَ يُسَلِّطُ رُسُلَهُۥ عَلَىٰ مَن يَشَآءُ ۚ وَٱللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ مَّآ أَفَاءَ ٱللَّهُ عَلَىٰ رَسُولِهِۦ مِنْ أَهْلِ ٱلْقُرَىٰ فَلِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ وَلِذِى ٱلْقُرْبَىٰ وَٱلْيَتَـٰمَىٰ وَٱلْمَسَـٰكِينِ وَٱبْنِ ٱلسَّبِيلِ كَىْ لَا يَكُونَ دُولَةًۢ بَيْنَ ٱلْأَغْنِيَآءِ مِنكُمْ ۚ وَمَآ ءَاتَىٰكُمُ ٱلرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَىٰكُمْ عَنْهُ فَٱنتَهُوا ۚ وَٱتَّقُوا ٱللَّهَ ۖ إِنَّ ٱللَّهَ شَدِيدُ ٱلْعِقَابِ) (এ ঘটনার ফলে) মহান আল্লাহ তা’য়ালা যেসব ধন সম্পদ তাদের কাছ থেকে নিয়ে রছুলুল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লামকে দিয়েছেন (তা ছিলো উনার একান্ত অনুগ্রহ), তোমরা তো এ (গুলো পাওয়া)-র জন্যে ঘোড়ায় কিংবা উটেঁ আরোহণ (করে কোনো অভিযান পরিচালনা) করোনি, (আসলে) মহান আল্লাহ তা’য়ালা যার ওপর চান তার ওপরই উনার রছুল য়ালাইহিমুছ ছালামদের কর্তৃত্ব প্রদান করে থাকেন; আর মহান আল্লাহ তায়ালা সর্ববিষয়ের ওপরই শক্তিমান। (ধন সম্পদের) যা কিছু (সেই) জনগণের মানুষদের কাছ থেকে নিয়ে মহান আল্লাহ তা’য়ালা উনার রছুল ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লামকে দিয়েছেন, তা হচ্ছে মহান আল্লাহ তা’য়ালা উনার জন্যে, রছুল ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লামের জন্যে, (উনার) আত্মীয় স্বজন, ইয়াতীম মিছকীন ও মুছাফিরদের জন্যে, (তোমাদের সম্পদ তোমরা এমনভাবে বন্টন করবে) যেন তা (কেবল) তোমাদের বিত্তশালী লোকদের মাঝেই আবর্তিত না হয়। রছুল ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম তোমাদের যা কিছুর (অনুমতি) দেন তা তোমরা গ্রহণ করো এবং যা কিছু থেকে তিনি নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাকো, তোমরা মহান আল্লাহ তায়ালা উনাকে ভয় করো; অবশ্যই মহান আল্লাহ তা’য়ালা তিনি কঠোর শাস্তিদাতা। (ছুরাহ হাশর ৫৯/৬-৭)
যুক্তিঃ শিয়ারা একদিকে বলে এটি “ফয়”, আবার দাবি করে এর পুরোটা নাকি একজনের একক মালিকানা। কিন্তু “ফয়” মানে তো কুরআনের বিধানে নির্ধারিত একাধিক খাতের হক। তাহলে পুরোটা একা একজনকে দিয়ে দেওয়া কি কুরআনের অবমাননা নয়? আবু বকর ছিদ্দিক রদ্বিআল্লাহু আনহু কি মহান আল্লাহ তায়ালা উনার বণ্টন নীতি লঙ্ঘন করে একক কাউকে মালিক বানাতে পারতেন? কখনোই না।
এখন কোন সুস্থ মস্তিষ্কের অধিকারীরা বলুন, ফাদাক কি শুধু একজন কন্যার হতে পারে?
তাহলে বাকি আত্মীয়রা কোথায় গেল? এতিম, মিছকিন, মুছাফির তাদের সবার অংশ কি ছিনিয়ে নিতেন? আর সবটুকু ছাইয়্যিদা হযরত ফাতিমা তুজ্জজাহরা য়ালাইহাছ ছালামকে দিয়ে দিতেন? এটা কীভাবে সম্ভব? এই শিয়ারা কেবল ধোকা দেয় যে এই পুরো ফাদাক ছাইয়্যিদা হযরত ফাতিমা তুজ্জজাহরা য়ালাইহাছ ছালামের জন্য ছিল; নাউজুবিল্লাহ তারা ক্বুরআনকে অস্বীকার করে এবং মহান আল্লাহ তা’য়ালা উনার নির্ধারিত অংশগুলোকে অস্বীকার করে।
আচ্ছা, এখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে, যদি আল ক্বুরআনে সব অংশ লেখাই থাকে, তবে ছাইয়্যিদা হযরত ফাতিমা তুজ্জজাহরা য়ালাইহাছ ছালাম কেন দরবারে-খিলাফত এ গিয়ে তা দাবি করেছিলেন? আপনাকে এটা বুঝতে হবে যে; প্রথমত, তখন রাজকীয় কোনো দরবার ছিল না। কেবল মসজিদে নববী শরীফই ছিল খলিফার ভবন, সেটিই ছিল হেডকোয়ার্টার এবং সেটিই ছিল খলিফায়ে রাশেদের বসার স্থান।
শিয়ারা যদি এটাকে দরবার মনে করে, তবে সেটা কেবল দরবারে নববী ছিল। ছাইয়্যিদা হযরত ফাতিমা তুজ্জজাহরা য়ালাইহাছ ছালামের দাবি ছিল এই যে, ফাদাকের মধ্যে রছুলুল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লামের নিজের জন্য যে অংশটুকু ছিল, তাতে যদি কোনো উত্তরাধিকার থাকে তবে যেন উনাকে তা দিয়ে দেওয়া হয়। অর্থাৎ, তিনি নিজের জন্য কোনো উত্তরাধিকারের বিষয়ে জানতে গিয়েছিলেন। তখন ছাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দিক-ই-আকবর রদ্বিআল্লাহু আনহু যিনি উনার পিতার সমতুল্য ছিলেন এবং উনার পিতার শ্বশুরও ছিলেন, তিনি বিষয়টি বুঝিয়ে বলেন।
তিনি অনেক মায়া-মুহব্বতের সাথে বুঝিয়ে বললেন যে, রছুলুল্লাহ
ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লামের বাণী হলোঃ নবীদের কোনো উত্তরাধিকার
হয় না। তাঁদের কোনো সম্পদ যদি অবশিষ্ট থাকে, তবে তা ছ্বদকা হিসেবে গণ্য হয়। এর
সাথে ছাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দিক-ই-আকবর রদ্বিআল্লাহু আনহু এটাও বললেন, আপনার নিজের
যে অংশটুকু আছে, যা রছুলুল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম নিজে
আপনাকে দিতেন, তা আপনি সব সময় পেতে থাকবেন।
এবং ওনার সেই নিজস্ব অংশটুকু তিনি সব সময় পেতে থাকলেন, এমনকি ওনার পরেও ওনার পরিবারের সদস্যরা তা পেতে থাকলেন। বরং আপনি যদিঃ (حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَوْسِ بْنِ الْحَدَثَانِ النَّصْرِيُّ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ ـ رضى الله عنه ـ دَعَاهُ إِذْ جَاءَهُ حَاجِبُهُ يَرْفَا فَقَالَ هَلْ لَكَ فِي عُثْمَانَ، وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَالزُّبَيْرِ وَسَعْدٍ يَسْتَأْذِنُونَ فَقَالَ نَعَمْ، فَأَدْخِلْهُمْ. فَلَبِثَ قَلِيلاً، ثُمَّ جَاءَ فَقَالَ هَلْ لَكَ فِي عَبَّاسٍ وَعَلِيٍّ يَسْتَأْذِنَانِ قَالَ نَعَمْ. فَلَمَّا دَخَلاَ قَالَ عَبَّاسٌ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، اقْضِ بَيْنِي وَبَيْنَ هَذَا، وَهُمَا يَخْتَصِمَانِ فِي الَّذِي أَفَاءَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ بَنِي النَّضِيرِ، فَاسْتَبَّ عَلِيٌّ وَعَبَّاسٌ، فَقَالَ الرَّهْطُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، اقْضِ بَيْنَهُمَا وَأَرِحْ أَحَدَهُمَا مِنَ الآخَرِ. فَقَالَ عُمَرُ اتَّئِدُوا، أَنْشُدُكُمْ بِاللَّهِ الَّذِي بِإِذْنِهِ تَقُومُ السَّمَاءُ وَالأَرْضُ، هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ نُورَثُ، مَا تَرَكْنَا صَدَقَةٌ ". يُرِيدُ بِذَلِكَ نَفْسَهُ. قَالُوا قَدْ قَالَ ذَلِكَ. فَأَقْبَلَ عُمَرُ عَلَى عَبَّاسٍ وَعَلِيٍّ فَقَالَ أَنْشُدُكُمَا بِاللَّهِ هَلْ تَعْلَمَانِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ قَالَ ذَلِكَ قَالاَ نَعَمْ. قَالَ فَإِنِّي أُحَدِّثُكُمْ عَنْ هَذَا الأَمْرِ، إِنَّ اللَّهَ سُبْحَانَهُ كَانَ خَصَّ رَسُولَهُ صلى الله عليه وسلم فِي هَذَا الْفَىْءِ بِشَىْءٍ لَمْ يُعْطِهِ أَحَدًا غَيْرَهُ فَقَالَ جَلَّ ذِكْرُهُ {وَمَا أَفَاءَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ مِنْهُمْ فَمَا أَوْجَفْتُمْ عَلَيْهِ مِنْ خَيْلٍ وَلاَ رِكَابٍ} إِلَى قَوْلِهِ {قَدِيرٌ} فَكَانَتْ هَذِهِ خَالِصَةً لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ وَاللَّهِ مَا احْتَازَهَا دُونَكُمْ، وَلاَ اسْتَأْثَرَهَا عَلَيْكُمْ، لَقَدْ أَعْطَاكُمُوهَا وَقَسَمَهَا فِيكُمْ، حَتَّى بَقِيَ هَذَا الْمَالُ مِنْهَا، فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُنْفِقُ عَلَى أَهْلِهِ نَفَقَةَ سَنَتِهِمْ مِنْ هَذَا الْمَالِ، ثُمَّ يَأْخُذُ مَا بَقِيَ فَيَجْعَلُهُ مَجْعَلَ مَالِ اللَّهِ، فَعَمِلَ ذَلِكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَيَاتَهُ، ثُمَّ تُوُفِّيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ فَأَنَا وَلِيُّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم. فَقَبَضَهُ أَبُو بَكْرٍ، فَعَمِلَ فِيهِ بِمَا عَمِلَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنْتُمْ حِينَئِذٍ. فَأَقْبَلَ عَلَى عَلِيٍّ وَعَبَّاسٍ وَقَالَ تَذْكُرَانِ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ عَمِلَ فِيهِ كَمَا تَقُولاَنِ، وَاللَّهُ يَعْلَمُ إِنَّهُ فِيهِ لَصَادِقٌ بَارٌّ رَاشِدٌ تَابِعٌ لِلْحَقِّ ثُمَّ تَوَفَّى اللَّهُ أَبَا بَكْرٍ فَقُلْتُ أَنَا وَلِيُّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ. فَقَبَضْتُهُ سَنَتَيْنِ مِنْ إِمَارَتِي أَعْمَلُ فِيهِ بِمَا عَمِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبُو بَكْرٍ، وَاللَّهُ يَعْلَمُ أَنِّي فِيهِ صَادِقٌ بَارٌّ رَاشِدٌ تَابِعٌ لِلْحَقِّ، ثُمَّ جِئْتُمَانِي كِلاَكُمَا وَكَلِمَتُكُمَا وَاحِدَةٌ وَأَمْرُكُمَا جَمِيعٌ، فَجِئْتَنِي ـ يَعْنِي عَبَّاسًا ـ فَقُلْتُ لَكُمَا إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ نُورَثُ، مَا تَرَكْنَا صَدَقَةٌ ". فَلَمَّا بَدَا لِي أَنْ أَدْفَعَهُ إِلَيْكُمَا قُلْتُ إِنْ شِئْتُمَا دَفَعْتُهُ إِلَيْكُمَا عَلَى أَنَّ عَلَيْكُمَا عَهْدَ اللَّهِ وَمِيثَاقَهُ لَتَعْمَلاَنِ فِيهِ بِمَا عَمِلَ فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبُو بَكْرٍ، وَمَا عَمِلْتُ فِيهِ مُذْ وَلِيتُ، وَإِلاَّ فَلاَ تُكَلِّمَانِي، فَقُلْتُمَا ادْفَعْهُ إِلَيْنَا بِذَلِكَ. فَدَفَعْتُهُ إِلَيْكُمَا، أَفَتَلْتَمِسَانِ مِنِّي قَضَاءً غَيْرَ ذَلِكَ فَوَاللَّهِ الَّذِي بِإِذْنِهِ تَقُومُ السَّمَاءُ وَالأَرْضُ لاَ أَقْضِي فِيهِ بِقَضَاءٍ غَيْرِ ذَلِكَ حَتَّى تَقُومَ السَّاعَةُ، فَإِنْ عَجَزْتُمَا عَنْهُ، فَادْفَعَا إِلَىَّ فَأَنَا أَكْفِيكُمَاهُ. قَالَ فَحَدَّثْتُ هَذَا الْحَدِيثَ، عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ فَقَالَ صَدَقَ مَالِكُ بْنُ أَوْسٍ، أَنَا سَمِعْتُ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تَقُولُ أَرْسَلَ أَزْوَاجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عُثْمَانَ إِلَى أَبِي بَكْرٍ يَسْأَلْنَهُ ثُمُنَهُنَّ مِمَّا أَفَاءَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ صلى الله عليه وسلم، فَكُنْتُ أَنَا أَرُدُّهُنَّ، فَقُلْتُ لَهُنَّ أَلاَ تَتَّقِينَ اللَّهَ، أَلَمْ تَعْلَمْنَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ " لاَ نُورَثُ، مَا تَرَكْنَا صَدَقَةٌ ـ يُرِيدُ بِذَلِكَ نَفْسَهُ ـ إِنَّمَا يَأْكُلُ آلُ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم فِي هَذَا الْمَالِ ". فَانْتَهَى أَزْوَاجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلَى مَا أَخْبَرَتْهُنَّ. قَالَ فَكَانَتْ هَذِهِ الصَّدَقَةُ بِيَدِ عَلِيٍّ، مَنَعَهَا عَلِيٌّ عَبَّاسًا فَغَلَبَهُ عَلَيْهَا، ثُمَّ كَانَ بِيَدِ حَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ، ثُمَّ بِيَدِ حُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ، ثُمَّ بِيَدِ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ وَحَسَنِ بْنِ حَسَنٍ، كِلاَهُمَا كَانَا يَتَدَاوَلاَنِهَا، ثُمَّ بِيَدِ زَيْدِ بْنِ حَسَنٍ، وَهْىَ صَدَقَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَقًّا) ছ্বহিহ বুখারির ৪০৩৩ এবং ৪০৩৪ নম্বর হাদিছ শরীফ আমরা দেখি, তবে দেখতে পাবো যে, ছ্বহিহ বুখারির মালিক ইবন আউস রদ্বিআল্লাহু আনহুর বর্ণনায় আছেঃ রছুলে পাক ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লামের ছ্বদাকাহ/ফাই সম্পদ প্রথমে মাওলা হযরত য়া’লী য়ালাইহিছ ছালামের হাতে ছিল; এরপর হাছান ইবন য়া’লী য়ালাইহিছ ছালামের, এরপর হুছাইন ইবন য়া’লী য়ালাইহিছ ছালামের, এরপর য়া’লী ইবন হুছাইন ও হাছান ইবন হাছান, পরে যায়দ ইবন হাছান য়ালাইহিমুছ ছালামদের কাছে ছিলো, এভাবে পর্যায়ক্রমে তাদের হাতে এর ব্যবস্থাপনা ছিল।
ছ্বহিহ বুখারিতে ৪০৩৫ ও ৪০৩৬ এ (حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا هِشَامٌ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ فَاطِمَةَ ـ عَلَيْهَا السَّلاَمُ ـ وَالْعَبَّاسَ أَتَيَا أَبَا بَكْرٍ يَلْتَمِسَانِ مِيرَاثَهُمَا، أَرْضَهُ مِنْ فَدَكٍ، وَسَهْمَهُ مِنْ خَيْبَرَ. فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لاَ نُورَثُ، مَا تَرَكْنَا صَدَقَةٌ، إِنَّمَا يَأْكُلُ آلُ مُحَمَّدٍ فِي هَذَا الْمَالِ ". وَاللَّهِ لَقَرَابَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَحَبُّ إِلَىَّ أَنْ أَصِلَ مِنْ قَرَابَتِي) ফাদাক ও খায়বারের অংশকে রছুলুল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লামের ‘ছ্বদাকাহ’ সম্পদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে; এবং একই প্রসঙ্গে সেই ছ্বদাকাহ সম্পদের ব্যবস্থাপনা মাওলা হযরত য়া’লী য়ালাইহিছ ছালাম ও পরে উনার সন্তানদের হাতে ছিল বলে বর্ণিত রয়েছে।
২) ফাদাক যদি “মিরাশ” হয় (ফারায়েজের লজিক্যাল চ্যালেঞ্জ)
শিয়ারা যখন দেখে “ফয়” হিসেবে দাবি করলে ছুরাহ হাশরের ৫৯/৬-৭ কাছে হেরে যাচ্ছে, তখন তারা বলে এটি ছিল “মিরাশ”। এখানে তাদের জন্য কুরআনের ফারায়েজ (উত্তরাধিকার আইন) নিজেই এক অকাট্য বাধাঃ
আহলিয়া বা স্ত্রীদের অংশ কোথায়?
কুরআন অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির সম্পদে উনার স্ত্রীদের (উম্মাহাতুল মু’মিনিনদের) সুনির্দিষ্ট অংশ থাকে। যদি এটি “মিরাশ” হতো, তবে হযরত আয়েশা, হাফসা, উম্মে হাবিবা য়ালাইহিন্নাছ ছালাম সহ সকল স্ত্রীগণ অংশ পেতেন, নবীজির বাকি ৩ কন্যাও অংশ পেতেন। অর্থাৎ ক্বুরআনের মিরাশের বিধান অনুযায়ী স্ত্রীদের অংশ থাকবেই; সন্তানদের অংশও নির্ধারিত; সুতরাং উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা ছিদ্দিকা য়ালাইহাছ ছালামসহ বাকি স্ত্রীগণের ‘স্ত্রী হিসেবে’ নির্দিষ্ট অংশ থাকার কথা ওঠে (স্ত্রীদের মোট অংশঃ সন্তান থাকলে এক-অষ্টমাংশ, সন্তান না থাকলে এক-চতুর্থাংশ, বিবরণ ছুরাহ আন-নিছা ৪:১১–১২) অর্থাৎ “মিরাশ” ফ্রেমে ফাতেমাতুজ্জ জাহরা য়ালাইহাছ ছালামের অংশ মানলে, উনার সৎ মায়েদের অংশ অস্বীকার করা অসম্ভব।
স্বার্থহীনতার প্রমাণঃ বাকিদেরটা বাদ দিলাম, খলীফা হযরত আবু বকর ও উমর রদ্বিআল্লাহু আনহুমা ও হযরত আবু ছুফিয়ান রদ্বিআল্লাহু আনহুর মতো লোকেরা কি এতোই দুশমনিতে লিপ্ত ছিলেন যে নিজের মেয়েদের বঞ্চিত করে নবী নন্দিনী, ফাতেমাতুজ্জ জাহরা য়ালাইহাছ ছালামকে বঞ্চিত করতে তৎপর ছিলেন? হযরত উছমান রদ্বিআল্লাহু আনহু ছিলেন ২ মেয়ের জামাই, তিনিও স্কিপ করে গেলেন? এটা কীভাবে সম্ভব? মক্কার সবচেয়ে ক্ষমতাধর ৪ ব্যক্তি নিজেদের বিধবা মেয়ের/স্ত্রীর মিরাশের অংশ ছেড়ে দিবেন কেবল ফাতেমাতুজ্জ জাহরা য়ালাইহাছ ছালামকে বঞ্চিত করতে? না না না, এটা বদ্ধ উন্মাদ ও মানতে পারবেনা। বরং উনারা রছুলুল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লামের সেই অকাট্য ছুন্নাহর ওপর অটল ছিলেন যে, “নবীদের কোনো উত্তরাধিকার হয় না, যা থাকে তা সদকা”। উনারা ছুন্নাহর খাতিরে নিজ পরিবারকেও বঞ্চিত করেছেন।
তাছাড়া যদি এটা মিরাশই হতো, তাহলে মাওলা হযরত য়া’লী য়ালাইহিছ ছালাম যখন পরবর্তীতে খলিফা হলেন, তিনি কেন ফাদাককে মিরাস হিসেবে বণ্টন করলেন না? তিনি কেন হযরত আবু বকর ছিদ্দিক রদ্বিআল্লাহু আনহুর প্রবর্তিত নিয়মেই তা পরিচালনা করলেন? এটিই প্রমাণ করে হযরত আবু বকর ছিদ্দিক রদ্বিআল্লাহু আনহুর ফয়সালাই ছিল হক।
এই শিয়ারা সবসময় প্রতারণার আশ্রয় নেয় এবং ধোঁকাবাজি করে; তারা মিথ্যা বলে এবং অপবাদ দেয়। সংক্ষেপে জেনে নিন যে, ছাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দিক-ই-আকবর রদ্বিআল্লাহু আনহু ক্বুরআন এবং ছুন্নাহ অনুযায়ী আমল করেছেন। রছুলুল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম নিজে উনার কন্যাকে যা দিয়েছিলেন, হযরত ছিদ্দিক-ই-আকবর রদ্বিআল্লাহু আনহুও তা দিয়েছেন; আর রছুলুল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম যা দেননি, হযরত ছিদ্দিক-ই-আকবর রদ্বিআল্লাহু আনহুও তা দেননি।
৩) হাদিস অস্বীকারকারীদের প্রতি চূড়ান্ত 'ইলযামী' চ্যালেঞ্জ (The Masterstroke)
অনেক শিয়া যখন তর্কে কোণঠাসা হয়, তখন বলে “আমরা তোমাদের হাদিছ বা ছিহাহ ছিত্তাহ মানি না।” তাদের জন্য আমার সেই অকাট্য চ্যালেঞ্জঃ
চ্যালেঞ্জঃ তোমরা যদি ছুন্নিদের সংরক্ষিত হাদিস এবং ইতিহাসকে দলিল হিসেবে অস্বীকার করো, তবে কেবল কুরআন মাজিদ থেকে প্রমাণ করো যে “য়া’লী” বা “ফাতিমা” য়ালাইহিমাছ ছালাম নামে পৃথিবীতে কেউ ছিলেন!
পুরো কুরআনে নাম ধরে কেবল ছ্বহাবী হযরত জায়েদ রদ্বিআল্লাহু আনহুর কথা আছে। মাওলা হযরত য়া’লী য়ালাইহিছ ছালাম, ফাতিমা য়ালাইহাছ ছালাম, হাছান বা হোছেইন য়ালাইহিছ ছালাম সহ বাকি কারো নামই কুরআনে সরাসরি বর্নিত নেই।
লজিকঃ যেই হাদিস ও ইতিহাসের সূত্রে তোমরা যরত য়া’লী য়ালাইহিছ ছালাম কে চিনলে, সেই একই নির্ভরযোগ্য সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে “নবীগণ কোনো আর্থিক উত্তরাধিকার রেখে যান না”। তথ্যসূত্র থেকে শুধু নিজের পছন্দের অংশটুকু নেবেন আর বাকিটা অস্বীকার করবে? এটা মুনাফেকি ছাড়া আর কিছু নয়। হাদিছ না মানলে য়া’লী, ফাতিমা য়ালাইহিমাছ ছালাম উনাদের অস্তিত্বই তোদের কাছে প্রমাণহীন হয়ে পড়বে।
৪) ঐতিহাসিক বাস্তবতা ও ব্যবস্থাপনা-ধারা
ছ্বহিহ বুখারির (৪০৩৩-৪০৩৬) বর্ণনা অনুযায়ী, এই বাগানের ব্যবস্থাপনা পরবর্তীতে মাওলা য়া’লী য়ালাইহিছ ছালাম, এরপর ইমাম হাছান য়ালাইহিছ ছালাম, এরপর ইমাম হোছেইন য়ালাইহিছ ছালাম এবং ক্রমান্বয়ে উনাদের বংশধরদের হাতেই ছিল।
যুক্তিঃ যদি এটি “ছিনিয়ে নেওয়া” হতো, তাহলে উনাদের হাতে এর ব্যবস্থাপনা আসত না। আবু বকর ছিদ্দিক রদ্বিআল্লাহু আনহু কেবল রছুলুল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লামের বাণীর কারণে মালিকানা স্থানান্তর করেননি, কিন্তু এর উপকারভোগী হিসেবে আহলে বাইত শরীফকেই বহাল রেখেছিলেন।
কিছু ব্রেইনলেস শিয়া এই দাবিও করে যে, “ফাদাক রছুলে পাক ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম উনার জীবদ্দশায় হযরত ফাতেমাতুজ্জ জাহরা য়ালাইহাছ ছালামকে হেবা/গিফট করে দিয়েছিলেন; তাই এটা মিরাশ না” এই দাবির তো উছূল অনুযায়ী জবাব একেবারে সোজা, কারণ এই দাবি ৩ জায়গায় ভেঙে পড়ে।
প্রথমত, “হেবা” একটা আলাদা শরঈ ফ্রেম। যে ব্যক্তি “হেবা” দাবি করবে, তাকে হেবার দলিল দেখাতে হবে, কেবল আবেগ বা গালাগালি দিয়ে “হেবা হয়ে গেছে” প্রমাণ হয় না। হেবা প্রমাণ করতে ন্যূনতমভাবে ইজাব-কবুল (offer-acceptance) এবং মালিকানা হস্তান্তরের বাস্তবতা (কবজা/transfer) সাব্যস্ত করতে হয়, এটাই হেবার মূল কাঠামো।
দ্বিতীয়ত, ঐতিহাসিকভাবে (ছ্বহিহ বুখারির ৬৭২৫, ৬৭২৬ নং হাদিছের বর্ণনায়) দেখা যায়, হযরত ফাতেমাতুজ্জ জাহরা য়ালাইহাছ ছালাম ও হযরত আব্বাছ রদ্বিআল্লাহু আনহু আবু বকর ছিদ্দিক রদ্বিআল্লাহু আনহুর কাছে “রছুলে পাক ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম-এর সম্পদ থেকে অংশ/মিরাশ” চাইতে গিয়েছিলেন, বিশেষ করে ফাদাকের জমি এবং খায়বারের অংশ। যদি ফাদাক আগে থেকেই “হিবা হয়ে ব্যক্তিগত মালিকানা” হয়ে যেত, তাহলে দাবি “মিরাশ/শেয়ার” হিসেবে আসত না; বরং “এটা আমার নিজস্ব সম্পত্তি ফেরত দিন” এই ভাষায় আসত। বুখারির এই বর্ণনাই “হেবা” দাবির উপর বড় প্রশ্নচিহ্ন ফেলে, কারণ ফ্রেমটাই তখন “মিরাশ/শেয়ার” হিসেবে এসেছে।
উপসংহারঃ হযরত আবু বকর ছিদ্দিক রদ্বিআল্লাহু আনহু ছিলেন কুরআন ও ছুন্নাহর এক অতন্দ্র প্রহরী। শিয়াদের “দখল/ছিনিয়ে নেওয়া” বয়ান কেবল একটি রাজনৈতিক মিথ্যাচার, যা কুরআন এবং যুক্তির সামনে এক মুহূর্তও টেকে না। তারা মূলত ফ্রেম বদলে বদলে ধোঁকা দিতে চায়, কিন্তু কুরআনের প্রতিটি ফ্রেমেই আবু বকর ছিদ্দিক রদ্বিআল্লাহু আনহুর সত্যতা প্রমাণিত।

0 ফেইসবুক: