Saturday, March 28, 2026

সম্মানিত পবিত্র নামাযের আহকাম ও আরকানঃ ফরজ, ওয়াজিব, ছুন্নাহ

জিকিরের পর সম্মানিত দ্বীন ইছলামের সবচেয়ে বড় দায়ীমি ফরজ হচ্ছেন নামায। যা দৈনিক ৫ ওয়াক্ত প্রত্যেক বালেগ নারী পুরুষের উপর ফরজ। ১৭ রক’য়াত ফরজ, ৩ রক’য়াত ওয়াজিব, ১২ রক’য়াত ছুন্নত বাধ্যতামূলক। এখন এই নামায যে ক্যাটাগরিরই হোক না কেন এর কিছু নিয়ম রয়েছে যা পরিপূর্নভাবে আদায় না করলে নামায বাতিল কিংবা ছাহু ছেযদা দেওয়া ওয়াজিব হয়।

আমি হানাফি ফিক্বহ, বিশেষকরে ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি য়ালাইহির মাযহাবী বিন্যাস অনুযায়ী বিষয়গুলো সাজিয়েছি। প্রথমে আমরা ফরজ সম্পর্কে জেনে নিই, তারপর ধাপে ধাপে নামাযের ওয়াজিব, ছুন্নাহ, মুস্তাহাব সম্পর্কে জানবো।

ফরজ হিসেবে নামাযের মধ্যে ১৩ টা বিষয় পাওয়া যায়। নামাযের ১৩ ফরজ বলতে সাধারণত ৭টি শর্ত + ৬টি রুকন বোঝানো হয়ে থাকে। তবে কিছু হানাফি কিতাবে সংখ্যা একটু এদিক-সেদিক দেখা যায়, কারণ কোথাও কিছু বিষয় একত্রে, কোথাও আলাদা করে গোনা হয়েছে।

প্রথমে মূল পার্থক্যটি বুঝে নিই। ফরজ বাদ গেলে নামায ছ্বহীহ হয় না। ওয়াজিব ভুলে বাদ গেলে সিযদায়ে ছাহু লাগে; ইচ্ছাকৃত বাদ দিলে গুনাহ হবে, আর সময়ের মধ্যে নামায পুনরায় পড়া জরুরি হয়, যদিও সেটাকে ফরজ ভাঙার মতো বলা হয় না। অন্যদিকে ছুন্নত বাদ দিলে নামায তো ভাঙে না, কিন্তু য়া’মল অপূর্ণ ও নিন্দনীয় হয়। মুস্তাহাব/আদব বাদ গেলে গুনাহ হয় না, তবে সৌন্দর্য ও কামাল কমে যায়।

নামাযের ১৩ ফরজ

ক. নামাযের বাইরের ৭ ফরজ (শর্ত)

১. হাদাছ থেকে পবিত্র হওয়া, অর্থাৎ অযু/গোছল থাকা। দলিলঃ মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ (يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا قُمْتُمْ إِلَى ٱلصَّلَوٲةِ فَٱغْسِلُواْ) হে মু’মিনগণ যখন তোমরা নামাযে দন্ডায়মান হতে চাও, তখন তোমাদের মুখ ও কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত কর, মাথা মাছেহ কর এবং টাখনু পর্যন্ত পা (ধৌত কর) (ছুরাহ আল-মাইদাহ ৫:৬)।

২. শরীর পাক হওয়া। হানাফি ফিকহে নামাযের শর্ত হিসেবে শরীরকে নাপাকি থেকে মুক্ত রাখা গণ্য হয়েছে।

৩. কাপড় পাক হওয়া।

৪. নামাযের জায়গা পাক হওয়া।

৫. সর্বনিম্ন ছতর আওরাত ঢেকে রাখা, তবে সামর্থ্যবানদের জন্যে উত্তম পোশাক পরাই ফরজ। দলিলঃ মহান আল্লাহ তায়ালা উনার নির্দেশঃ (خُذُوا زِينَتَكُمْ عِندَ كُلِّ مَسْجِدٍ) “প্রত্যেক ঈবাদাতের স্থানে তোমরা তোমরা সাজসজ্জা/সর্বোত্তম পোশাকটাই পরিধান কর”। (ছুরাহ আল-আ’য়রফ ৭:৩১)। হানাফিরা এ আয়াত শরীফ থেকে সর্বনিম্ন ছতর ঢাকার বাধ্যবাধকতা নিয়েছেন।

৬. ক্বিবলা (কা’য়বা শরিফ) মুখী হওয়া। দলিলঃ (فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ ٱلْمَسْجِدِ ٱلْحَرَامِ) সুতরাং (ইয়া রছুলাল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম!) আপনি আপনার চেহারা মুবারক মাছযিদুল হারাম শরীফ-এর দিকেই ফিরান; আর (হে মু’মিনগণ!) তোমরাও যেখানেই থাকো না কেনো, তোমাদের চেহারা সেদিকেই (মাছযিদুল হারাম শরীফ-এর দিকে) ফিরাও (ছুরাহ আল-বাক্বারাহ ২:১৪৪)।

৭. ওয়াক্ত প্রবেশ করা ও নিয়ত করা। ওয়াক্তের দলিলঃ (إِنَّ ٱلصَّلَوٲةَ كَانَتْ عَلَى ٱلْمُؤْمِنِينَ كِتَـٰبًا مَّوْقُوتًا) নামায মুমিনদের উপর নির্ধারিত সময়ে ফরজ করা হয়েছে।” (ছুরাহ আন-নিছা ৪:১০৩)। আর নিয়তকে হানাফি ফিকহে নামায শুরুর আগের ফরজ শর্ত হিসেবে ধরা হয়েছে।

খ. নামাযের ভেতরের ৬ ফরজ (রুকন)।

১. তাকবীরে তাহরীমা। দলিলঃ রছূলুল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম বলেছেনঃ (مِفْتَاحُ الصَّلَاةِ الطُّهُورُ وَتَحْرِيمُهَا التَّكْبِيرُ وَتَحْلِيلُهَا التَّسْلِيمُ) নামাযের চাবিকাঠি হলো পবিত্রতা (অজু-গোছল), এর (দুনিয়াবি কাজকে) হারাম করার মাধ্যম হলো তাকবীর (তাকবীরে তাহরিমা) এবং একে (দুনিয়াবি কাজকে পুনরায়) হালাল করার মাধ্যম হলেন ছালাম (আবু দাউদ শরীফ ৬১, ৬১৮, তিরমিজি শরীফ ৩, ২৩৮, ইবনে মাজাহ শরীফ ২৭৫, ২৭৬ এবং মুছনাদে আহমাদ ১০০৬, ১০৭২)

২. ক্বিয়াম করা। সক্ষম হলে দাঁড়িয়ে পড়া, দলিলঃ (وَقُومُواْ لِلَّهِ قَـٰنِتِي) মহান আল্লাহ তায়ালা উনার জন্য বিনীত হয়ে (নামাযে) দাঁড়াও। (ছুরাহ আল-বাক্বারাহ ২:২৩৮)।

৩. ক্বিরাআত পাঠ। ক্বুরআন শরীফ থেকে কিছু আয়াত শরীফ তিলাওয়াত করা। দলিলঃ (فَاقۡرَءُوۡا مَا تَیَسَّرَ مِنَ الۡقُرۡاٰنِ) সুতরাং পবিত্র আল-ক্বুরআন থেকে যতটুকু (পাঠ করা) তোমাদের জন্য সহজ হয়, ততটুকুই তোমরা পাঠ করো (ছুরাহ আল-মুয্জাম্মিল ৭৩:২০)।

৪. রুকূ করা। দলিলঃ (يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ ٱرْكَعُواْ وَٱسْجُدُواْ وَٱعْبُدُواْ رَبَّكُمْ) হে মু’মিনগণ, তোমরা রুকূ করো, ছেযদা করো, আর তোমাদের রব তা’য়ালা উনার ঈবাদাত করো। (ছুরাহ আল-হাজ্জ ২২:৭৭)।

৫. ছেযদা করা। দলিলঃ (يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ ٱرْكَعُواْ وَٱسْجُدُواْ وَٱعْبُدُواْ رَبَّكُمْ) হে মু’মিনগণ, তোমরা রুকূ করো, ছেযদা করো, আর তোমাদের রব তা’য়ালা উনার ঈবাদাত করো। (ছুরাহ আল-হাজ্জ ২২:৭৭)।

৬. আখিরি কা’য়দাহ। শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ পরিমাণ বসা। এর গুরুত্ব হযরত ইবনু মাসঊদ রদ্বিআল্লাহু আনহু থেকে প্রমাণিত; তিনি বলেনঃ (وَكَفِّي بَيْنَ كَفَّيْهِ التَّشَهُّدَ، كَمَا يُعَلِّمُنِي السُّورَةَ مِنَ الْقُرْآنِ) রছূলুল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম উনাকে তাশাহহুদ এমনভাবে শিক্ষা দিয়েছেন, যেমন আল-ক্বুরআনের ছুরাহ শিক্ষা দিতেন। (বুখারি শরীফ ৬২৬৫, মুছলিম শরীফ ৪০২ই-৪০৩বি, নাছাই শরীফ ১১৭১)

নামাযের ওয়াজিবসমূহ

হানাফি মাজহাবের কিতাব-সমূহে নামাযের ওয়াজিব বলা হয়েছে ১৮টি বিষয়কে; কিছু ফতওয়াগ্রন্থ এগুলোকে সংক্ষিপ্ত করে ১২ বা ১৪ দফায়ও পেশ করে। তাই গণনায় অল্প পার্থক্য থাকলেও মর্ম এক।

হানাফি কিতাব অনুযায়ী ১৮ ওয়াজিব সংক্ষেপে এভাবেঃ

১. ছুরাহ ফাতিহা শরীফ পড়া। (হানাফি মাজহাবে ওয়াজিব)

২. ফাতিহা শরিফ-এর সাথে অন্য ছোট ছুরাহ বা কমপক্ষে বড় ছুরার ৩ আয়াত শরীফ মিলানো “ফরজের প্রথম দুই রক’য়াতে, এবং বিতর ও নফলের সব রক’য়াতে।

৩. ক্বিরাআতকে প্রথম দুই রক’য়াতে নির্দিষ্ট করা।

৪. ফাতিহা শরীফ আগে, তারপর ছুরাহ পড়া।

৫. ছেযদায় কপালের সাথে নাকও মাটিতে লাগানো।

৬. প্রতি রক’য়াতে দ্বিতীয় ছেযদা সম্পন্ন করে তবেই পরের রুকনে যাওয়া।

৭. রুকনসমূহে ইতমিনান/স্থিরতা রাখা।

৮. প্রথম কা’য়দাহ করা।

৯. প্রথম কা’য়দাহতে তাশাহহুদ পড়া

১০. শেষ কা’য়দাহতেও তাশাহহুদ পড়া

১১. প্রথম কা’য়দাহর তাশাহহুদের পর বিলম্ব না করে তৃতীয় রক’য়াতে দাঁড়ানো

১২. নামায শেষ করতে ছালাম বলা অর্থাৎ (ٱلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ ٱللَّهِ)

১৩. বিতরে দ্বো’আয়ে কুনূত পড়া

১৪. ঈদের অতিরিক্ত তাকবীরসমূহ

১৫. নামাযের ইফতিতাহ (উন্মোচন করা, উন্মুক্ত করা বা শুরু করা) নির্দিষ্ট তাকবীর দ্বারা করা

১৬. ঈদের দ্বিতীয় রক’য়াতে রুকূর তাকবীর যথাস্থানে আদায় করা

১৭. যেসব নামায (جَهْرِي) সেগুলোয় ইমামের যাহর করাঃ ফাযর, মাগ্বরিব-ঈশার প্রথম দুই রাকাআত, জুমু’য়াহ শরীফ, দুই ঈদ, তারাউয়্যীহ, রমজানের বিতর (মানে ফাতিহা ও ছুরাহ-কেরাত উচ্চস্বরে পাঠ করা।)

১৮. যেসব নামাযে ছিরর রয়েছে সেখানে ছিরর করা, যেমনঃ জ্বুহর, য়া’ছর, মাগ্বরিব ও ঈশার পরের অংশ, দিনের নফল।

ওয়াজিবের কুল্লী দলিল হচ্ছেন নববী নামাযের পদ্ধতিঃ (وَصَلُّوا كَمَا رَأَيْتُمُونِي أُصَلِّي) আর তোমরা ঠিক সেভাবেই নামায আদায় করো, যেভাবে আমাকে নামায আদায় করতে দেখেছো। (বুখারি শরীফ ৬৩১, ৬০০৮, ৭২৪৬)

নামাযের ছুন্নত

হানাফি মাজহাবে নামাযের ছুন্নত প্রায় ৫০-৫৫টি পাওয়া যায়। সবকটি লিখলে উত্তর অতি দীর্ঘ হবে, তাই প্রধান সুন্নতগুলো ধাপে ধাপে দিচ্ছি

শুরুর ছুন্নতসমূহঃ

১. তাকবীরে তাহরীমার সময় হাত উঠানো।

২. পুরুষের ক্ষেত্রে কান পর্যন্ত, নারীর ক্ষেত্রে কাঁধ/বুকের নিকট পর্যন্ত।

৩. আঙুল স্বাভাবিকভাবে খোলা রাখা।

৪. পুরুষের ডান হাত বাম হাতের উপর নাভির নিচে বাঁধা।

৫. সোজা হয়ে দাঁড়ানো, মাথা না নত করা

ক্বিয়াম ও ক্বিরআতের ছুন্নতসমূহঃ

১. ক্বিয়ামের সময় পুরুষের জন্য দুই পায়ের মাঝে কিছুটা ফাঁক রাখার কথা এসেছে; “চার আঙুল পরিমাণ” (আমার মতে গোড়ালি ৪ ও মাথায় ৮ আঙ্গুল রাখাই উত্তম) এসেছে, আর নারীদের পায়ের মধ্যে ফাঁক থাকবেনা।

২. ছানা পড়া।

৩. তা’য়আউজ শরীফ পড়া।

৪. প্রতি রক’য়াতে ফাতিহা শরিফ ও প্রত্যেক ছুরার পূর্বে বিছমিল্লাহ শরীফ পড়া।

৫. ফাতিহা শরীফ-এর পর আস্তে “আমীন” বলা।

৬. ফাযর-জ্বুহরে তুলনামূলক দীর্ঘ, য়া’ছর-ঈশায় মধ্যম, আর মাগ্বরিবে ছোট ছুরাহ পড়া।

৭. ফাযরের প্রথম রক’য়াত কিছুটা দীর্ঘ করা

রুকূর ছুন্নতসমূহঃ

১. “سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيمِ” অন্তত তিনবার বলা।

২. হাঁটু শক্তভাবে ধরা।

৩. পা সোজা রাখা।

৪. পুরুষের পিঠ সমান রাখা।

৫. রুকূ থেকে উঠতে “سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ” বলা, তারপর “اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ” অথবা “ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ

ছেযদার ছুন্নতসমূহঃ

১. ছেযদায় যাওয়ার সময় আগে হাঁটু, তারপর হাত, তারপর মুখ রাখা।

২. উঠার সময় উল্টো ক্রমে ওঠা।

৩. ছেযদায় “سُبْحَانَ رَبِّيَ الْأَعْلَى” তিনবার বলা।

৪. মাথা দুই হাতের মাঝখানে রাখা।

৫. পুরুষের জন্য পেট উরু থেকে আলাদা, কনুই পার্শ্ব থেকে আলাদা রাখা। পুরুষরা দুই হাত বিছিয়ে দিবেনা, নারীরা দেবে।

৬. ছেযদায় দুই পায়ের গোড়ালি মিলিয়ে রাখা নারী পুরুষ উভয়ের।

কা’য়দাহ ও ছালামের ছুন্নতসমূহঃ

১. তাশাহহুদের সময় শাহাদাত আঙুল উঠানো।

২. শেষ বৈঠকে দুরুদে ইবরাহীম য়ালাইহিছ ছালাম পড়া।

৩. তারপর ক্বুরআন-হাদীছ-ছাবিত দ্বো’আ পড়া।

৪. ডানে আগে, পরে বামে ছালাম ফেরানো।

নামাযের মুস্তাহাব/আদবঃ

হানাফি কিতাবে এগুলোকে অনেক সময় আদাবুছ ছ্বলাহ বলা হয়। এগুলো করলে নামাযে খুশু-খুজু, সৌন্দর্য ও কামাল বাড়ে। কিতাবে যেমন এসেছেঃ

১. তাকবীরের সময় পুরুষের হাত আস্তিনের বাইরে বের করা।

২. দাঁড়িয়ে ছেযদার জায়গায় দৃষ্টি রাখা।

৩. রুকূতে দুই পায়ের মধ্যিখানের দিকে তাকানো।

৪. ছেযদায় নাকের ডগার দিকে তাকানো।

৫. বৈঠকে কোলে অর্থাৎ দুই হাটুর মধ্যে তাকানো।

৬. ছালাম ফেরানোর সময় কাঁধের শেষ প্রান্তের দিকে দৃষ্টি দেওয়া।

৭. কাশি আসলে যথাসম্ভব দমন করা।

৮. হাই এলে ডান হাতে মুখ চেপে রাখা।

৯. ইক্বামাতে মুয়াজ্জিনে “حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ” বলা হলে ক্বিয়ামে দাঁড়ানো।

১০. ইমাম দ্বিতীয় “قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ” বলার সময় নামায শুরু করা


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 ফেইসবুক: