Saturday, February 28, 2026

রমজান শরীফঃ দহন ও রূপান্তরের এক আধ্যাত্মিক নকশা

প্রতি বছর কোটি কোটি মুছলিম টানা ৩০ দিন রোজা রাখে। ঊষালগ্ন থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত তারা পানাহার থেকে বিরত থাকেন, দাম্পত্য সম্পর্ক থেকেও বিরত থাকে। ঈবাদাত বাড়িয়ে দেয়, বেশি বেশি ক্বুরআন তিলাওয়াত করে, দুহাত খুলে দান-ছ্বদকা করে। তারপর রমজান শরীফ শেষ হয়, আর অল্প কদিনের ব্যবধানে অনেকে আবার ঠিক সেই মানুষটিতেই ফিরে যায়, যেমন রমজান শরীফ শুরুর আগে সে ছিলো।

তাই নিজেকে সেই প্রশ্নটি করো, যা সচরাচর কেউ করতে সাহস পায় নাঃ কেন এক মাসের নিবিড় ঈবাদত এত এত হৃদয়কে অপরিবর্তিত রেখে দেয়? কেন কেউ তারাবীতে অশ্রু ঝরায়, অথচ সকাল হতেই অ-সততার পথে পড়ে যায়? কেন ক্বদরের রাত তাদের উপর দিয়ে বয়ে যায়, যারা জেগে ইবাদত করছিল অথচ তাদের ক্বলবে কোনো পরিবর্তনই যেনো থিতু হয় না?

উত্তরটি তিক্ত, কিন্তু এর মুখোমুখি হওয়াতেই আফিয়াতঃ আমাদের মধ্যে অধিকাংশই পেট ও শরীর দিয়ে রোজা রাখি, রূহ দিয়ে নয়। আমরা রমজান শরীফের বাহ্যিক কাঠামোটা ধরে রাখি, কিন্তু এর ভেতরের বাস্তবতাটা হারিয়ে ফেলি। অথচ সেই ভেতরের বাস্তবতা এত গভীর যে, যদি সামান্য কিছু মানুষও তা সত্যভাবে বুঝতে পারতো, তাহলে তাদের রমজান শরীফ শুধু তাদের নিজেদের নয় বরং তাদের চারপাশের মানুষকেও বদলে দিতে পারতো।

রমজান শরীফ কেবল কিছু বিধিবিধানের সমষ্টি নয়, আর কেবল পরিচিত কিছু ফজিলতের তালিকাও নয়। এটি মহান আল্লাহ তায়ালা উনার দেওয়া এক বিশেষ আধ্যাত্মিক নকশা, যা তোমার রূহের ভেতরে গভীর পরিবর্তন ঘটানোর জন্য নির্ধারিত, যদি তুমি সে পরিবর্তন ঘটতে দেন।

রমজান (রমাদ্বন) শরীফ নামের ভেতরের ইশারাঃ দহন

“রমাদ্বন” নামটির মধ্যেই এর সার্থকতার ইশারা আছে। এর মূল ধাতুর মধ্যে আছে প্রচণ্ড উত্তাপ, এমন তাপ, যা বৃষ্টির আগে তপ্ত ভূমিকে ঝলসে দেয়। আর আছে আগুনে পোড়ার পর অবশিষ্ট গরম ছাইয়ের ইঙ্গিত। এটা কাকতালিও নয়। রমজান শরীফ যেন সেই প্রক্রিয়ার নাম, যা তোমার ভেতরে জাগ্রত হওয়ার কথাঃ দহন, পোড়ানো।

এটা আধ্যাত্মিকতার কোনো আরামদায়ক উষ্ণতা নয়; বরং এটি এমন এক দহন, যা তোমার ভেতরে থাকা অপ্রয়োজনীয়, অশুদ্ধ, অচেনা জিনিসগুলোকে পুড়িয়ে ছেঁটে দেয়। যে নফছ থেকে তুমি রোজা রাখছো, যে তাড়না তুমি নিয়ন্ত্রণ করছো, যে মুহূর্তে তুমি আরামের চেয়ে মহান আল্লাহ তা’য়ালাকে বেছে নিচ্ছে, এসবই সেই আগুন, যা গত ১১ মাসে জমে থাকা ‘আমিত্ব’-এর স্তরগুলোকে পুড়িয়ে দিতে থাকে।

চিন্তা করো, ধাতু কীভাবে পরিশোধিত হয়। কামার লোহা বা সোনাকে আগুনে দেন। আগুন ধাতুকে ধ্বংস করে না; ধাতুর সঙ্গে মিশে থাকা অশুদ্ধতাকে পুড়িয়ে আলাদা করে দেয়। যা বেরিয়ে আসে সেটা একই ধাতু, কিন্তু আরও বিশুদ্ধ, আরও শক্ত, নিজের প্রকৃত রূপে সত্য।

রমজান শরীফও তেমনই আত্মার জন্য এক বিশেষ ভাটি। রোজা, নামাজ, ক্বুরআন তিলাওয়াত এগুলোকে শুধু “ছ্বওয়াব কামানোর ম্যশিন” বললে রোজার মূল লক্ষ্যই তো ধরা পড়ে না। বরং এগুলো হলো তাপঃ যা মিথ্যা, ধার করা, আর তোমার প্রকৃত সত্তার অংশ নয় এমন সব কিছু পুড়িয়ে সরিয়ে দেয় তাদের নূর দ্বারা

তোমার ভেতরে কী পুড়ছে?

একটু গভীরভাবে তাকালে তিনটি বিষয় তুমি স্পষ্ট চিনতে পারবেঃ

১) স্বনির্ভরতার বিভ্রম এই বিশ্বাসঃ আমি নিজেই নিজেকে টিকিয়ে রাখছি, যা পেয়েছি তা শুধু আমার যোগ্যতায়, আর এই জীবনটা শুধু আমার। রোজার প্রতিটি ঘণ্টা নীরবে সেই বিভ্রম ভেঙে দেয়। ক্ষুধা আসে, তুমি চাইলেই খেতে পারবে না। শরীর দাবি তোলে তুমি সেই দাবিকে থামাতে পারো না, কিন্তু মানতে বাধ্যও নও; তুমি প্রত্যাখ্যান করতে পারো। এই বৈপরীত্য শেখায়, তোমার ইচ্ছাশক্তি আছে, কিন্তু সেই ইচ্ছাশক্তিও তোমার বাইরের এক শক্তির দান।

২) গাফেলতি ও অসচেতনতার অভ্যাস যে যান্ত্রিক জীবন তোমাকে ভেতরে ভেতরে ঘুম পাড়িয়ে রাখে। ছাহরি ঘুমের ছন্দ বদলায়, ইফতার খাওয়ার ছন্দ বদলায়, তারাবীহ রাতকে দীর্ঘ করে। এই ছন্দভাঙা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটাই উদ্দেশ্য। রমজান শরীফ তোমার অবচেতন রুটিনগুলো ভেঙে দেয়, যাতে সচেতনতা তোমার ভেতরে ঢুকতে পারে।

৩) মহান আল্লাহ তা’য়ালা উনার বিকল্প হয়ে দাঁড়ানো আসক্তি, খাবার, আড্ডা, বিনোদন, অবিরাম উত্তেজনা, যে জিনিসগুলো দিয়ে তুমি এমন এক শূন্যতা ভরতে চাও, যা আসলে শুধু মহান আল্লাহ তায়ালাই ভরতে পারেন। রমজান শরীফ সাময়িকভাবে এগুলো সরিয়ে দেন, শাস্তি দিতে নয়, বরং তোমাকে নিজের সত্য অবস্থা দেখাতে। এগুলো সরিয়ে দিলে তোমার ভেতরে কী অস্থিরতা জাগে? ওই অস্থিরতাই তুমি এতদিন এড়িয়ে চলছিলে। আর সেই এড়িয়ে চলাই মহান আল্লাহ তা’য়ালা উনার দিকে ফিরে যাওয়ার পথে এক ধরনের দেয়াল হয়ে দাঁড়ায়।

রোজার গভীর শিক্ষা

খাদ্য কেবল শরীরের পুষ্টি নয়; এটি ‘আমিত্ব’-কেও শক্তি জোগায়। তুমি যখনই খাচ্ছ, নীরবে নিজের ভেতর ঘোষণা হচ্ছে আমি আলাদা এক সত্তা; আমার চাহিদা আছে; সেটা এখনই পূরণ করতে হবে। এভাবেই ক্ষুধা-খাওয়া আমাদের ভেতরে প্রতিদিন ‘আমিত্ব’-কে জাগিয়ে রাখে।

কিন্তু রোজা বলে না। ক্ষুধা আছে, তবুও তুমি খাচ্ছ না। ক্ষুধা আর খাওয়ার মাঝখানের এই বিরতিতে অসাধারণ একটা সত্য স্পষ্ট হয়ঃ তুমি তোমার চাহিদার চেয়েও বড়। তোমার ভেতরে এমন এক স্তর আছে, যা জৈবিক প্রয়োজনের ঊর্ধ্বে উঠতে পারে। এই জন্যই রোজার মধ্যে এক বিশেষ রহস্য আছে। অনেক ঈবাদত হলো “কিছু করা” নামাজ, দান, হাজ্জ। কিন্তু রোজা হলো ‘বিরত থাকা’ নিজের দাবিকে থামিয়ে দেওয়া। তুমি মহান আল্লাহ তা’য়ালাকে কিছু “দিচ্ছ” না; বরং নিজের “আমি চাই”-কে সরিয়ে নিচ্ছ। তুমি বলেছ আমার চাহিদা নয়, আল্লাহর হুকুমই বড়। আর এ কারণেই ক্ষুধা দাঁত কামড়ে সহ্য করার কোন বিষয় নয়; বরং এটা বুঝে দেখার বিষয়। ক্ষুধার প্রতিটি ঢেউ নফছকে বলে উঠতে বাধ্য করে “আমার দরকার আছে, আমার চাই। আর তুমি যখন সেই দাবিটা দেখো, কিন্তু মানো না, তখন তুমি সবচেয়ে মৌলিক আধ্যাত্মিক শক্তি গড়ে তুলছোঃ নিজের ভেতরের দাবিকে দেখা, কিন্তু তার দাস না হওয়া।

রোজার সময়ে খাওয়া আর দাম্পত্য সম্পর্ক নিষিদ্ধ থাকার মধ্যেও এই শিক্ষাই আছে। এগুলো মানুষের মনোযোগকে প্রবলভাবে শরীরের দিকে টেনে নেয়। রমাদান কিছু সময়ের জন্য হলেও এই টান থেকে দূরত্ব তৈরি করে এগুলোকে অপবিত্র বলার জন্য নয়, বরং বোঝানোর জন্য যে তুমি শরীরের দাবির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নও।

লাইলাতুল ক্বদরঃ তাক্বদিরের ফাইনাল সিদ্ধান্তের রাত

অনেকে লাইঃ লাইলাতুল ক্বদর শরীফের রাতে কেবল বেশি ইবাদত, বেশি দোয়া, বেশি ‘ফজিলত অর্জন’-এর রাত হিসেবে দেখে। কিন্তু এর গভীর দিক হলো হৃদয়ের গ্রহণক্ষমতা।

‘ক্বদর’ শব্দের ভেতরে আছে সঠিক মাপ, যথাযথ পরিমাণ, যথাস্থানে যথামাত্রা। এই রাত যেন মহান আল্লাহ তায়ালা উনার পক্ষ থেকে নির্ধারিত ব্যবস্থার বাস্তব প্রবাহে প্রকাশের রাত। প্রশ্নটা কেবল “রহমত কি কেবল নামে” না তা নয়; প্রশ্নটা হলো, “তোমার ক্বলব কতটা গ্রহণ করতে পারে। নফছ যেন এক বোতল। বোতল যদি ছোট হয় অহংকারে ভরা, নাছুৎ-এ বিভ্রান্ত, গাফলতিতে অসাড়, তবে সে অল্পই ধারণ করবে। আর রোজা, নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও জিকিরের মাধ্যমে যদি পাত্রটা প্রসারিত হয় - তবে সে আরও বেশি গ্রহণ করতে পারে।

রমজান শরীফ এই কারণেই আসেনঃ হৃদয়ের ধারণক্ষমতা বাড়াতে, যাতে ক্বদরের রাতে তুমি মহান আল্লাহ তা’য়ালা উনার ইচ্ছানুসারে আরও বেশি হিদায়াত, আরও বেশি রহমত, আরও বেশি স্বচ্ছতা গ্রহণ করতে পারো। এবং মনে রাখবে এই ‘রাত’ কেবল ক্যালেন্ডারের একটি তারিখ নয়; অনেকখানি তোমার প্রস্তুতিও। একই রাতে দুজন পাশাপাশি দাঁড়ালেও, একজনের হৃদয় গ্রহণ করে অন্যজনের হৃদয় শূন্যই থেকে যায়; পার্থক্যটা হয় উপস্থিতি ও প্রস্তুতিতে।

তাই শুধু কথায় রাত ভরিয়ে দিও না। ভিতরে নীরবতা তৈরি করো, গ্রহণের দরজা খুলো, এবং ক্বলবকে উপস্থিত রাখো, যাতে যা আসার কথা, তা এসে বসতে পারে।

আল-ক্বুরআনঃ রূহের পুষ্টি

রমজান শরীফ ক্বুরআন শরীফের মাস। শরীর যখন গ্রহণ কমায়, ভেতরে জায়গা তৈরি হয়। ক্বরআন হলেন সেই মহান আল্লাহ তা’য়ালা উনার বাণী, যা সেই জায়গা পূরণ করেন। ক্ষুধা পাত্রকে খালি করে আল ক্বুরআন তা ভরেন। তিলাওয়াত নিজেই এক ধরনের মানসিক শুদ্ধতা। তুমি যখন কুরআন পড়ো, তখন মন একসঙ্গে আগের মতো কোলাহল চালাতে পারে না। আয়াতের পর আয়াত দুশ্চিন্তা সরায়, পরিকল্পনা সরায়, নফছের একটানা কথাকে সরিয়ে সেখানে মহান আল্লাহ তা’য়ালা উনার বাণীকে বসায়। আল কুরআনের সঙ্গে সম্পর্কেরও স্তর আছে। শুদ্ধভাবে পড়ার মাক্বাম, অর্থ বুঝে চিন্তা করার মাক্বাম, আর আছে আরও গভীর এক স্তর, যখন মনে হয় তুমি ক্বুরআন পড়ছো না; বরং কুরআন তোমার ভেতরটা খুলে দিচ্ছে। রোজার কারণে যে আধ্যাত্মিক অবস্থা তৈরি হয়, তাতে এই গভীর গ্রহণের দরজাও অনেকের জন্য খুলে যেতে পারে।

প্রদর্শন নয়, রূপান্তর

যদি এসব সত্য হয়, তবে মানুষ কেন রমজান শরীফের পর অপরিবর্তিত থেকে যায়?

কারণ তারা রমজান শরীফকে ‘দেখানোর মতো কাজ’ মনে করে, ‘বদলে যাওয়ার প্রক্রিয়া’ মনে করে না। যখন কেউ নিখুঁতভাবে রোজা রাখে, সব তারাবীহ পড়ে, কুরআন খতম করে, দান করে, নিজেকে খুব নেককার মনে করে কিন্তু শাওয়াল আসতেই পুরোনো অভ্যাসে ফিরে যায় তখন সমস্যা রমজান শরীফে নয়; সমস্যাটা হলো রমজান শরীফকে ‘অর্জন’ ভেবে নেওয়া, ‘চিকিৎসা’ ভেবে না নেওয়া। প্রকৃত রূপান্তরের জন্য অস্বস্তিকে শিক্ষক বানাতে হয়। ক্ষুধা বাড়লে আর মেজাজ খিটখিটে হলে শুধু সহ্য করবেন না, খেয়াল করুন। এই খিটখিটে ভাব বলছে তোমার নফস স্বাভাবিক প্রশমন-উপকরণ ছাড়া কতটা অস্থির। এটিই তো দেখার কথা ছিল। দুপুরে শক্তি কমে গেলে, নির্ভরশীলতা প্রকাশ পেলে সেখানেই শিক্ষা আছেঃ নিজের উপর নয়, মহান আল্লাহ তা’য়ালা উনার উপর ভরসার দিকে এগিয়ে যাওয়া।

রমজান শরীফে সফলতা মাপো অন্যভাবে। রমজান শরীফে তুমি কত কিছু করলে এটা চূড়ান্ত মাপকাঠি নয়। কয়েক মাস পরে তোমার চরিত্রে কী বদল রইল? একটা বদঅভ্যাস কি সত্যিই কমলো, একটা ভালো গুণ কি স্থায়ী হলো এটাই আসল মাপকাঠি। যদি কিছুই না থাকে, সেটা ছিল কেবল জাহেরি রমজান শরীফ। আর যদি ছোট হলেও সত্য পরিবর্তন থাকে তবেই তা বাতেনি রমজান শরীফ হয়েছে।

শেষ নসিহত

মহান আল্লাহ তা’য়ালা উনার কিন্তু তোমার রোজা বা নামাজের প্রয়োজন নেই। তিনি রমজান শরীফ দিয়েছেন, কারণ তোমার এটি প্রয়োজন। বছরজুড়ে ক্বলবে জং মরিচা জমে, মন কঠিন হয়, দুনিয়ার টানে ভেতরটা ঘন হয়ে যায়। তাই মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি দয়া করে, রহমত রূপে প্রতি বছর আপনাকে দেন এক ভাটিঃ দহনের এক মাস, যাতে তুমি তোমার আসল অবস্থায় ফিরে আসতে পারো, দুনিয়ার রঙ লাগার আগের সেই স্বচ্ছতায়। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ রমজান শরীফকে ব্যবহার করে “আরও বেশি” হওয়ার জন্য আরও শৃঙ্খলাবদ্ধ, আরও কর্মঠ, আরও বাহ্যিকভাবে ধার্মিক। কিন্তু যে রমাদান সত্যিই বদলায়, তা তোমাকে “কম” করে দেয়, কম অহং, কম আত্মকেন্দ্রিকতা, কম নিজের উপর নির্ভরতা। এই দহনকে ঘটতে দাও। কারণ যা পুড়ে যায়, তা ক্ষতি নয়; আর যা অবশিষ্ট থাকে—সেটাই তোমার প্রকৃত সত্তার বিশুদ্ধ সার, সব মিথ্যা পুড়ে যাওয়ার পর অবশেষে দৃশ্যমান হয়ে ওঠা তোমার সত্য তুমি।


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 ফেইসবুক: