Friday, February 27, 2026

রমজানের রোজা রেখে আমরা কি আজ পর্যন্ত রোজাদার হয়েছি? রোজা আসলে কি?

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيمِ

اللّٰهُمّٰ صَلِّ عَلیٰ سَيِّدِنَا نَبِيِّنَا حَبِيْبِنَا شَفِيْعِنَا مَوْلَانَا مُحَمَّدٍ الْنَّبِيَّ الْأُمِّيَّ وَ اَزْوَاجِهِ وَ اَهْلِ بَيْتِهِ وَ اَصْحَبِهِ وَ اٰلِهِ وَ سَلَّمۡ

প্রত্যেক বছর রমজান শরীফ আসে, আর আমরা খাবার দাবারের মাস মনে করে ছাহরী ইফতারে বিয়ে বাড়ীর আয়োজন করে পার করে দিইএর মূল কারণ রমজান শরীফ সম্পর্কে আমাদের অজ্ঞতা, তাই শুধু রমজান শরীফের ছুরত সম্পর্কে জানলেই হবেনা, বরং এর রুহকে হাসিল করতে হবে রোজার বিষয়টা মূলত আমাদের সাদা পোশাক পরিষ্কার করার মতোযদি তুমি কাপড় ধোয়া শিখে ফেলো তাহলে তুমি রোজা রাখাও শিখে ফেলবে ইনশাআল্লাহ

মনে প্রশ্ন আসতে পারে কিভাবে তাই না?

যখন তুমি কাপড় ধোও তখন তুমি কি করো? পানি ব্যবহার করো, এর সাথে ব্যবহার করো ডিটারজেন্ট, তাই না? অনুরূপ ১৫/১৬ ঘন্টা খাবার দাবার ছেড়ে দেওয়া, পানির দরজা রাখে, আর ক্বলবে নূর আসার ব্যপারটা, ডিটারজেন্ট এর দরজা রাখেতুমি যদি সাদা পোশাকের মধ্যে থাকা কালো নাপাকির দাগে যখন কেবল পানিই ঢালো, ডিটারজেন্ট ব্যবহার করো না, তখন তা পরিষ্কার হবে নাঅথবা তুমি গোসলের কথাই ধরো, জমিনে কাজ করেছ, বা ময়লা নর্দমায়, কাজ শেষে গায়ে কয়েক বালতি পানি ঢেলে দিলে কেবল, তাহলে কি ময়লা ও বাজে গন্ধ চলে যাবে? যাবে নাভালো মতো সাবান দিয়ে ঘষে মেজে তারপর পানি ঢাল্লে গন্ধ প্লাস ময়লা দূর হবেতাহলে তুমি হাক্বিকতে পয় পরিষ্কার হয়ে যাবেঅর্থাৎ সাবান তোমাকে ময়লা আবর্জনা গায়ে লাগলে পাক ছাফ করেঅনুরূপ রোজা ক্বলবকে পাক ছাফ করে, এর মধ্যে থাকা গালিজ বের করে দেনতোমার রোজা যদি তোমার ক্বলবে নূর বানাতে না পারেন, তাহলে বুঝতে হবে তুমি শুধুই ক্ষুধার্ত থাকছো, এর বেশী কিছুই নয়ক্ষুধার্ত থাকছো, পানি ঢালছো, মানুষ মনে করছে কাপড় ধুইতেছো, কিন্তু পরনে ওয়ালা ভালো করেই জানে যে এখনো কাপড় থেকে দুর্গন্ধ আসছে। তেমনি তুমি এমন রোজাদার যে কেবল সারাদিন উপোষ করেছে, অথচ তোমার ক্বলবেও শয়তান, নফছেও য়তান বাস করতেছেসেখানে নূরের কোন উপস্থিতিই নাইমূলত রোজা তাদের জন্যেই কামিয়াবি, যাদের ক্বলব সৌন্দর্যমন্ডিত হয়, ক্বলব নূরানি হয়ে যায়

বলুনতো রোজার মাক্বছ্বদ কি?

রোজার মাক্বছ্বদ হলোঃ নফছ কে পাক করাশুধু ক্ষুধার্ত থাকলে তো নফছ পাক হবেনা তাইনাক্ষুধার্ত থাকলে নফছ দুর্বল হয়, পাক হয় নূর দ্বারাভুক নফছকে কমজুর করে ফেলে, তাই কমজুর করে সহজে পাক করতে চাইলে নূর এর প্রয়োজনএজন্যেই রোজা তাদের জন্যে কামিয়াবি যারা ক্বলবি জিকির করে থাকেন দিবা রাত্রিক্ষুধার্ত থাকেন, নফছ কমজুর হয়, সাথে যখন ক্বলবি জিকির ও চলে তখন সেখানে নূর উৎপন্ন হয়, সেখান থেকে নূর আসেন, রাতে লম্বা সময় নিয়ে মুহব্বত ভরে তারাবি পড়েন, সেটার নূর ও সিনায় অর্থাৎ ক্বলবে আসে। রমজান মাসে এই একটা এক্সট্রা নূরের মালিক আপনি হয়ে যাচ্ছেন ফি-ছাবি-লিল্লাহএইসব তাদের জন্য সাহায্যকারী হয়, তারাই রোজায় কামিয়াব হয়

ঐসকল লোকের রোজাই তাদের জন্য ফায়েজ হ, ফায়দা হকারণ মহান আল্লাহ তা’য়ালা তো রোজারদারদেরকেই বলেনঃ (لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ) আশা করা যায় তোমরা মুত্তাকী হয়ে যাবে, পাক পবিত্র হয়ে যাবে, তাক্বওয়া হাসিল করতে পারবে

এবার খুব সামান্য একটি প্রশ্ন করি? আমাদের বর্তমান মুছলিমরা যারা জীবিত হায়াৎ-এ বিদ্যমান, তারা কতো বছর থেকে রোজা রেখে আসছে? যে কাউকে জিজ্ঞাসা করো, যে কত বছর থেকে রোজা রাখছেন? উত্তর পাবে আরে ভাই বুঝ হওয়ার পর থেকে রেখে আসছি, রোজায় আমি খুবই সচেতন, কোন কাজা নাইঅনেক মানুষ তাদের ৮/১০ বছরের বাচ্চাকেও পুরো রমজান মাসে রোজা রাখায় কোন মানুষের যদি বয়স ৫০ হয় তাহলে সে মিনিমাম ৪০ বছর থেকে রোজা রাখতেছেযে মানুষ ৪০ বছর টানা রোজা রাখছে এমন আম মানুষকে না বরং হুজুর, ইমাম, ওয়াজী, বাবা টাইপের যে কাউকেই জিজ্ঞাসা করো, যে ভাই, ৪০ বছরের রোজা কি আপনাকে মুত্তাকি, পরহেজগার, তাক্বওয়ার অধিকারী বানাতে সক্ষম হয়েছে? উত্তর হিসেবে যদি বলে, যে না রে ভাই এখনো মুত্তাকী হতে পারিনি, তাক্বওয়া, পরহেজগারিতা হাসিল করতে পারিনি তাহলে জিগাও কেনওওও? ৪০ বছর থেকে রোজা রাখতেছ এখনো কেনো মুত্তাকী, পরহেজগার হতে পারলেনা? এই প্রশ্ন বয়সের ভারে নূয়ে পড়া আম পাব্লিক না বরং হুজুর, ইমাম, ওয়াজী, বাবা টাইপের সবাই নিজেকে প্রশ্ন করা দরকার যারা ব্রেইনে লমের ভান্ডার নিয়ে বসে আছে অথচ ক্বলব ভরা নার-এ আমাদের এই অঞ্চল তথা ভারত, পাকিস্থান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপে কতো রোজাদার বিদ্যামানএকজন মুত্তাকী তুমি কি চেনো তোমার আশেপাশে বিদ্যামান, ইমাম, মুয়াজ্জিন, নামাজী, ইফতার করানো কারো মধ্যে থেকে? মহান আল্লাহ পাক তো বলেই দিছেনঃ (وَاللَّهُ وَلِىُّ الْمُتَّقِينَ) অর্থাৎ, আর মহান আল্লাহ তায়ালা তো মুত্তাকিদেরই বন্ধু(ছুরাহ আল-যাশিয়া ৪৫/১৯) এখন বলো, এমন একজন য়া’লীম-ই ধরা যাক যাকে তুমি মহান আল্লাহ তা’য়ালা উনার বন্ধু, উনার আউলিয়া মনে করো, যে কোন ধরনের হারাম কাজে নিজেকে জড়ায়নি বিগত ৪০ বছরকোন কবিরা গুনাহ তার আমলনামায় ৪০ বছরে কখনো ফেরেশতা লিখেন নাই, পাবে?

অথচ লাখ লাখ মানুষ ৪০/৫০ বছর ধরে রোজা রাখতেছে রমজান শরীফে, একটি রোজাও কখনো কাজা করেনি, পেট ভরে ভরে খেয়েছে ছাহরীতে, এতো খেয়েছে প্রত্যেক ছাহরীতে যে এমনিতেই ২০ ঘন্টা আর না খেলেও তার ভুক লাগবেনাহাহা রোজাআজ যে ৪০ বছর ধরে রোজা রাখতেছে তাকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করো যে জনাব মুত্তাকী হয়ে গেছেন? যদি বলে না ভাই মুত্তাকী হইনি, প্রশ্ন করুনঃ কেন হও নাই? মহান আল্লাহ তা’য়ালা তো ওয়াদা করেছেনঃ (يٰٓأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ) হে মুমিনগণ তোমাদের উপর রোজা ফরয করে দেয়া হয়েছে, যেমনি করে ফরজ করা হয়েছিলো, তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর, আশা করা যায় (এই রোজার মাধ্যমে) তোমরা মুত্তাকী হয়ে যাবে (ছুরাহ আল-বাক্বরা ২/১৮৩)

তো তুমি যদি নিজে নিজের সার্টিফিকেট দে যে তুমি মুত্তাকী হতে পার নাই, তাহলে বুঝতে হবে তোমার রোজার মধ্যে কোন ঝামেলা আছেএটা কি চিন্তা করা দরকার নয় যে, তুমি যখন পার্মানেন্ট কোন অসুখে পড়ে ডাক্তারের নিকট যা তখন তার সাজেশনে খাওয়া টানা কোন ঔষধে-ও যখন কোন ফায়দা না পাও, তখন আবার যা গিয়ে বলো, যে ডাক্তার সাহেব অনেকদিন তো খাইলাম কিন্তু কোন পতিকার, উপকার, ফায়দা পেলাম না একিই ছ্বওয়াল নিজেই নিজেকে করো না কেনো? যে ২০/৩০/৪০ বছর হয়ে গেছে এখনো কেনো মুত্তাকী হতে পারি নাইআরে রোজাদার মহান আল্লাহ তায়ালা উনার ওয়াদা তো সত্য, মহান আল্লাহ তা’য়ালা তো বলেই দিছেন (لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ) তুমি মুত্তাকী হবেই যদি তোমার রোজা সঠিক হয়ে থাকে৪০ বছর রোজা রাখার পরেও যদি তুমি মুত্তাকী হতে না পারো তাহলে তোমাকে বুঝতে হবে যে তোমার ঐসকল রোজা রোজাই ছিলনা মহান আল্লাহ তা’য়ালা উনার নিকট

আচ্ছা তাহলে এখন সঠিক রোজা কিভাবে রাখতে হবে? এই বিষয়ে বাজারি ওয়াজি মুল্লারা বেহুদা অনেক জিনিস বাজারে বিক্রি করে দিয়েছে, উদাহরণস্বরূপ রোজা অবস্থায় মিছওয়াক (ব্রাশ) করনা, কুল্লি করতে খুব সাবধানতা অবলম্বন করো, সামান্য এদিক সেদিক হলে, এক ফুটা পানি ভিতরে গেলে তোমার রোজা শেষহাটুর উপর কাপড় তুলনা, রক্ত বের হলে রোজা মাকরূহ হয়ে যাবে, রক্ত দিলে রোজা নষ্ট হয়ে যাবেএইসব বেহুদা জিনিসে রোজাদারদের পেরেশান করে রাখে রমজান মাস এলেই অহে উলামায়ে ছু, নফছের পূজারী ওয়াজিরা তোমরাই বলো, তোমরাতো সারা দুনিয়াকে রোজা রাখাচ্ছো ৩০/৪০ বছর ধরে, তুমরা কি মুত্তাকী হয়ে গেছ? তোমাদের তাক্বওয়া এটাই যে মাদ্রসায় ছাত্রদের বলাৎকার করা? পর্দা ফরজ মেয়েদের চেহারার দিকে তাকিয়ে দ্বীন শিখীয়ে তৃপ্তি পাওয়া, কতো মুল্লাই ধরা খাচ্ছে কওমি মাদ্রাসায়, আহলে হাদীছদের মধ্যেএমনকি রোজা রাখা অবস্থায় এরূপ কাজ ভারত, পাকিস্থান, বাংলাদেশে ভরাকোথায় তোমাদের তাক্বওয়ানোংরামি করো তোমরা, লম্বা লম্বা দাঁড়ি বুক পর্যন্ত রেখেঅথচ রোজার ব্যপারে হাক্বিকতে কিছুই জাননা তোমরা, না মহান আল্লাহ তায়ালা, না আল-ক্বুরআন, না রছুলে পাক ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়াছাল্লামের ব্যপারে তোমরা জানো

আচ্ছা বাদবাকি বাদ দিলাম, রোজা কিভাবে রাখে তোমরা কি তা জানো? রোজা রাখা খালি ক্ষুধার্ত, পিপাসার্থ থাকার নাম নয়মহান আল্লাহ তা’য়ালা তিনি একারণেই রোজা রাখাচ্ছেন যেনো তোমরা মুত্তাকী হয়ে যাওএখন তোমার তো জানাই নাই যে এটা কোন রোজা যেটা তোমাকে মুত্তাকী বানিয়ে দেবেজিজ্ঞাসা করো নিজেকে, ৪০ বছর রোজা রাখতেছো, এতে আবার খুব গর্ব বিদ্যমান, আমিতো বুঝ হওয়ার পরে কখনো রোজা কাজাই করিনি আজ পর্যন্ত একটি রোজাও আমি ছাড়িনিআচ্ছা তো এটা বলো মুত্তাকী হয়ে গেছ?

বাস্তবে তারা চিন্তা করবে মুত্তাকী? এটা আবার কি জিনিস? তাহলে শোন জাহিল ক্বুরআন শরীফে মহান আল্লাহ তা’য়ালা বলতেছেনঃ (يٰٓأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ) হে মুমিনগণ তোমাদের উপর রোজা ফরয করে দেয়া হয়েছে, যেমনি করে ফরজ করা হয়েছিলো, তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর, আশা করা যায় (এই রোজার মাধ্যমে) তোমরা মুত্তাকী হয়ে যাবে (ছুরাহ আল-বাক্বরা ২/১৮৩) কিন্তু বাবাজীদের কোন খবরই নাই, টেলিভিশনে আরামে বসে রোজার ফযিলত বয়ান করেই যাচ্ছে, অথচ হাক্বিকতে রোজা কি এর খবর নাই

তোমার রোজা তোমাকে মুত্তাকী তখনই বানাবে যখন তোমার নফছের ত্বহারাত হবে, অর্থাৎ নফছ পাক পবিত্র হয়ে যাবেক্ষুধার্ত থাকলে নফছে ত্বহারাত আসেনা, ক্ষুধার্ত থাকলে নফছ দুর্বল হয়ত্বহারাত তখনই আসে যখন ক্বলব থেকে অবিরত নূর বর্ষিত হয় নফছের মধ্যেতোমরা পরিক্ষা করে দেখতে পারো, যখন তুমি ক্ষুধার্ত থাকবে তখন তোমার হার্টবিট বা হৃদস্পন্দন বেড়ে যাবে, যত বেশী ক্ষুধার্ত হবে, তত বেশী পরিষ্কার হৃদস্পন্দন শুনতে পাবেখুব জিকির অনুভব করবেএটা চিন্তা করা দরকার ক্ষুধার্তের সাথে ক্বলবের কি সম্পর্কক্ষুধার সাথে ক্বলবের সম্পর্ক এই যে, যখন তুমি ক্ষুধার্ত থাকবে তখন ক্বলবে নার কম আসবে, আর নার কম মানে ক্বলব তখন বেশী কাজ করবে আর এটাই অটোমেটিক হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয় আর যখন জাকিরে ক্বলবি রোজা রাখে, তখন সে দেখবে যে রোজায় তার হৃদস্পন্দন নিজে নিজেই বেড়ে যাচ্ছেআর যখন জিকির বেড়ে যাবে তখন সেটাই হবে তার রোজার বিনিময় এদিকে রাতে শার পরে তুমি যখন তারাবীতে মনোযোগ দিয়ে ক্বুরআন শুনবে হুজুরি ক্বলব দিয়ে, সেটাও নূর উৎপন্ন করে নফছে যাচ্ছে, কিন্তু আজকের যারা ক্বারি তারা কি করে? এরা নিজেরাই একেক্টা খিঞ্জীর খোদ আল-ক্বুরআন অনুসারে, যাদের কেবল মুখে থেকে ক্বুরআনের শব্দ আসে হাক্বিকি ক্বুরআন নয়পুরো সিস্টেমটাই উল্টো হয়ে গেছে আজ, অথচ সিস্টেম এমন হওয়া উচিৎ ছিলো যে, ইমাম, মুয়াজ্জিন, মুতাওয়াল্লি সবাই জাকিরে ক্বলবী হবে, তারাবী পড়নে ওয়ালাও জাকিরে ক্বলবী হবে, অতএব যখন ৪০ জাকিরে ক্বলবী মুল্লি মসজিদে ক্বিয়াম করবে জাকিরে ক্বলবী মুয়াজ্জিনের সাথে জাকিরে ক্বলবী ইমামের পিছে, তখন এক আউলিয়ার ক্ষমতা আসবে ঐ পুরো এলাকার মধ্যে মহান আল্লা তা’য়ালা উনার রহমত বর্ষিত হবে, কারণ মহান আল্লাহ তা’য়ালা নিজেই বলেছেনঃ (إِنَّ رَحْمَتَ اللَّهِ قَرِيبٌ مِّنَ الْمُحْسِنِينَ) নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তায়ালা উনার রহমত মুহছিন লোকদের নিকটেই থাকে (ছুরাহ আল-রফ ৭/৫৬) তাই ঐ এলাকায় অবস্থানকারী জাকিরে ক্বলবীদের কারণে মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত নাযিল হবেঅথচ তুমি তো শ দুইশো খিঞ্জীর নিয়ে নামাজ পড়তেছ, এরা নামাজে ঢুকার আগেই বের হওয়ার চিন্তা করে, ইমামকে দ্রুত পড়ার চাপ দেয়, ছুন্নতের খিলাফ রকেট গতিতে রুকু সেজদা করে মাক্বামে গ্বফিলে ফায়েজ হয়, আর একারণেই এরা খিঞ্জিরের চেয়েও নিকৃষ্ট হালে যায়, এরা যে খিঞ্জীর মহান আল্লাহ তা’য়ালা নিজেই বলে দিয়েছেনঃ (فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّينَ الَّذِينَ هُمْ عَن صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ) (মর্মান্তিক) দুর্ভোগ রয়েছে সেসব (মুনাফিক) নামাজিদে জন্যে, যারা নিজেদের নামাজের ব্যপারে গ্বফিল(ছুরাহ আল-মাউন ১০৭/৪-৫) শুধু কি তাই? রকেট সাইন্সে নামাজ পড়ে যে নামাজী মুনাফিক হবে এর স্পষ্ট বর্ননা দিচ্ছেন মহান আল্লাহ তা’য়ালা এইভাবেঃ (اِنَّ الۡمُنٰفِقِیۡنَ یُخٰدِعُوۡنَ اللّٰهَ وَ هُوَ خَادِعُهُمۡ ۚ وَ اِذَا قَامُوۡۤا اِلَی الصَّلٰوۃِ قَامُوۡا كُسَالٰی ۙ یُرَآءُوۡنَ النَّاسَ وَ لَا یَذۡكُرُوۡنَ اللّٰهَ اِلَّا قَلِیۡلًا مُّذَبۡذَبِیۡنَ بَیۡنَ ذٰلِكَ ٭ۖ لَاۤ اِلٰی هٰۤؤُلَآءِ وَ لَاۤ اِلٰی هٰۤؤُلَآءِ ؕ وَ مَنۡ یُّضۡلِلِ اللّٰهُ فَلَنۡ تَجِدَ لَهٗ سَبِیۡلًا) নিশ্চয়ই মুনাফিকেরা মহান আল্লাহ তা’য়ালাকে ধোঁকা দিতে চায়; কিন্তু মহান আল্লাহ তা’য়ালা তাদেরকে তাদের (নিজেদের) ধোঁকায়ই ফেলে রাখেনআর যখন তারা নামাজে দাঁড়ায়, তখন খুব (গ্বফিল থাকে) অলসভাবেই দাঁড়ায়, তারা মূলত রিয়া করে; উপরন্তু (নামাজে) মহান আল্লাহ তা’য়ালাকে তারা খুব কমই স্বরন করে থাকে (ছুরাহ আন-নিছা ৪/১৪২-১৪৩) আর যারা গ্বফিল তাদের ব্যপারেও মহান আল্লাহ তা’য়ালা বলতেছেনঃ (أُولٰٓئِكَ كَالْأَنْعٰمِ بَلْ هُمْ أَضَلُّ ۚ أُولٰٓئِكَ هُمُ الْغٰفِلُونَ) (আসলে) এরা হচ্ছে পশুর মতো, বরং (কোন কোন ক্ষেত্রে) পশুর চাইতেও অধিক পথভ্রষ্ট, (আর) এসব লোকেরাই হচ্ছে গ্বফিল(ছুরাহ আল-রফ ৭/১৭৯) অতএব মহান আল্লাহ পাক উনার ফজলে করম কই থেকে আসবে, উল্টা লা’য়নাত বর্ষিত হচ্ছে তোমাদের উপর

ক্বলবকে মুনাওয়্যার করতে হয়যতক্ষন ক্বলব মুনাওয়্যার না হবে ততক্ষন রোজার ফায়দা, ফযিলত হাসিল করতে পারবেনা কস্মিনকালেকারণ মহান আল্লাহ পাক কালামুল্লাহ শরীফে বলেছেনঃ অহে (মানুষেরা) তোমরা যারা ঈমানদার তাদের অপর রোজা ফরয করে দেয়া হয়েছে, (কেনো?) আশা করা যায় (এই রোজার মাধ্যমে) তোমরা মুত্তাকী হয়ে যাবে (يٰٓأَيُّهَا الَّذِينَ ءَامَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ) হে মুমিনগণ তোমাদের উপর রোজা ফরয করে দেয়া হয়েছে, আশা করা যায় (এই রোজার মাধ্যমে) তোমরা মুত্তাকী হয়ে যাবে (ছুরাহ আল-বাক্বরা ২/১৮৩) তোমাদের উপর ফরজ করেছি, তোমাদের আগের নবীদের উম্মতদের উপরও ফরজ করেছিলাম, আর এই ফরজ করার কারণে হিসেবে কি বলছেন আল্লাহ পাক? (لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ) আমি তোমাদের মুত্তাকী বানাতে চাইএবার তুমিই বলো হে ৩০/৪০ বছরি রোজাদার তুমি কি মুত্তাকী হয়ে গেছ? যদি না হয়ে থাকো তাহলে এর মানে দাঁড়ালো তোমার ঐসব রোজা বরবাদ হয়ে গেছেবরবাদ একারণেই হয়েছে যে রোজা মূলত নফছে ত্বহারাত আনে, নফছকে পাক করেআর নফছকে পাক করতে হলে শুধু ক্ষুধার্ত থাকা জরুরি নয় বরং নূর প্রয়োজন, যা তোমার ক্বলবেই নাইএকারণে তুমি মুত্তাকীই হওনি

এটা না বোঝার মতো কঠিন কোন বিষয় নয়ওয়াশিং মেশিনে তুমি ময়লা কাপড় ঢুকালে, পানিও আসছে, কিন্তু ওয়াশিং পাউডার, ট্যাবলেট দাওনি, তাহলে ওয়াশিং ম্যাশিন চল্লেও কি তোমার পোশাক পরিষ্কার হয়ে যাবে? তুমি ফরজ নামাজ পড়েছ, তারাবি পড়েছ, ১৫/১৬ ঘন্টা উপোষ ও করেছ, অথচ ক্বলবে নূর নাই যা গুনাহকে পরিষ্কার করে থাকেকিভাবে নফছ পাক হবে? যদি ক্বলব ওয়াশিং মেশিন হয় তাহলে নূর তার ওয়াশিং পাউডার, ট্যাবলেটআর ঐ নূর ব্যতীত নফছ জীবনেও পাক হবেনা, নফছে ত্বহারাত আসবেনাএটাই আমাদের বুঝতে হবে

মূলত রমজান শরীফ মাস মহান আল্লাহ তায়ালা উনার পক্ষ থেকে মুমিনদের জন্য একটি সাশ্রয়ী জান্নাতি প্যাকেজ, এমন এক রিলিফ যার বুনিয়াদি মাক্বছ্বুদই হলো নফছের, ক্বলবের ত্বহারাত অর্থাৎ পাক পবিত্রতাকারণ ক্বুরআনুল কারিমে রোজার যে ব্যাখ্যা মহান আল্লাহ পাক দিয়েছেন সেখানে প্রথমেই তিনি বলেছেন, হে ঈমানদারেরা আমি তোমাদের উপর রোজা ফরজ করে দিয়েছি, এর পরে বলছেন, তোমাদের পূর্বে যে সকল উম্মত এসেছে তাদের উপরও ফরজ ছিলো, এরূপ ভাবার অবকাশ নাই যে এই মেহনৎ কেবল তোমাদের ঘাড়েই একা দিয়েছি, বরং তোমাদের পূর্বে র উম্মতদের উপরও ফরজ ছিলোতোমাদের জন্যেও করেছিআর শেষে এটাও বলেছেন যে একারণেই যে যেনো তোমরা মুত্তাকী হয়ে যাও অর্থাৎ তোমাদের নফছের, ক্বলবের ত্বহারাত হোক, তোমরা পাক পবিত্র হয়ে যাও

এখন, স্পষ্টতই, এটা কোন প্রকাশ্য শারীরিক পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে ছিল নাযদি এটি শারীরিক পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে হতো তবে তোমাকে বছরের ১১ মাস গোসল করতে হতো না, এবং শুধুমাত্র রমজান শরীফ মাস আসলেই গোসল করতে হতো

অতএব, স্পষ্ট হয়ে গেলো এটি শারীরিক পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে নয় বরং আধ্যাত্মিক পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে বলা হচ্ছেএখন এই আধ্যাত্মিক পরিচ্ছন্নতার মানে কি? এর মানে হল তাজকিয়ায়ে নফছএখন নফছের খাবার হলো নার, যা আমাদের কৃত গুনাহের মাধ্যমে, স্বামী-স্ত্রীর সহবাসের মাধ্যমে, আমাদের খাবারের মাধ্যমে, আমরা যে পানি পান করি তার মাধ্যমে, এমনকি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে এসে থাকে একারণেই রমজান শরীফ মাসে আমরা ছাহরী থেকে ইফতার পর্যন্ত শারীরিক সম্পর্ক করিনা, কোন কিছু খাই না বা পান করি না

তো এতে আমাদের লাভ কি?

অন্ততপক্ষে, নফছ এক্টিভ হলে যে নার পয়দা হতো, সেটা সহবাস সহ খাদ্য ও পানি গ্রহণের মাধ্যমে আমাদের শরীরে যে নার প্রবেশ করতো সেই নারের সরবরাহ ১৫/১৬ ঘণ্টা (বা তার বেশি) সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়তবে অন্যান্য উত্স থেকে তো নার এখনও আমাদের শরীরে প্রবেশ করছেসে জন্য আমরা তাবিহ-তাহলিল পাঠ করি, নামাজ পড়ি, ক্বুরআন তেলাওয়াত করি, রাতে তারাবী পড়ি, নফল ইবাদত করি আর এই ক্বুরআন তেলাওয়াত, রাতের তারাবী পড়া, মূলত এই সমস্ত কিছুর মূল উদ্দেশ্যই হল নূর আমাদের ক্বলবে উৎপন্ন হবে এবং আমাদের নফছের মধ্যে প্রবেশ করবে যাতে ক্বলবে ও নফছে ত্বহারাত আসেঅথচ না আমাদের ক্বলব জারি না আমরা তাজকিয়ায়ে নফছের উপর আমল করি, তাই যত পরহেজগারিই হাসিল করি, ১৫/১৬ ঘণ্টা ক্ষুধার্ত থেকে, রাতভর তারাবীতে ক্বিয়াম করে, কিন্তু যদি এই সমস্ত কিছুর বিনিময়েও নূর আমাদের মধ্যে প্রবেশ না করে, তবে আমাদের সমস্ত প্রচেষ্টা কিন্তু বরবাদ হয়ে যাচ্ছেএবং ভুলে যেওনা না যে, মহান আল্লাহ তায়ালা যাদের সম্বোধন করেছেন তারা হলেন মুমিনআর মুমিনের বর্ণনা কিন্তু ক্বুরআন শরীফের মধ্যে বিদ্যামান, কিছু আরব বেদুঈন ইলাম কবুল করার পরে নিজেদের মুমিন বলে বেড়াতে লাগলো, বাকি যারা প্রথম সারীর ছ্বহাবায়ে কেরাম রদ্বিল্লাহু আনহুম ছিলেন, উনাদের বড় ইজ্জত ছিলো, কারণ উনারা হাক্বিকতে মুমিন ছিলেন, তো এইসব কতিপয় আরবি মান আনার পরে যখন বলে বেড়াতে লাগলেন আমরাও মুমিন হয়ে গেছি কালিমা পড়ে, নামাজ পড়ে, রোজা রেখে, তখন মহান আল্লাহ তা’য়ালা অতি দ্রুত আয়াত নাযিল করে দিলেন এই বলে যেঃ (قَالَتِ الْأَعْرَابُ ءَامَنَّا ۖ قُل لَّمْ تُؤْمِنُوا وَلٰكِن قُولُوٓا أَسْلَمْنَا وَلَمَّا يَدْخُلِ الْإِيمٰنُ فِى قُلُوبِكُمْ) (এই আরব) বেদুঈনরা বলছে, আমরা মুমিন? (পেয়ারে হাবীব ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়াছাল্লাম) আপনি এদের বলে দিন, না, তোমরা (এখনও) মুমিন নও, তোমরা (বরং) বলো, লাম কবুল করে মুলিম হয়েছ মাত্র, এখনো তো ঈমান তোমাদের ক্বলবে প্রবেশই করেনি (অথচ তোমরা নিজেদের মুমিন বলে বেড়াচ্ছো) (ছুরাহ আল-হুজুরাত ৪৯/১৪)

তো আজকের যামানার মুলমান কি এইসব চিন্তা করে যে, তার ক্বলবে ঈমান প্রবেশ করে ফেলেছে? অতএব নামাজ পড়ার আগে, রোজা রাখার আগে, ক্বুরআন পড়ার আগে জেনে নাও যে, তুমি একজন ধার্মিক মুমিন হয়েছ কি না? শুধুমাত্র মৌখিকভাবে কলিমা শরীফ কয়েক দফা আওড়ালেই মুমিন হওয়া যায়না ক্বুরআন শরীফ অনুসারে মুমিন হওয়ার পূর্বশর্ত হল ক্বলবে ঈমানকে প্রবেশ করানো (وَلَمَّا يَدْخُلِ الْإِيمٰنُ فِى قُلُوبِكُمْ) এখনো তো ঈমান তোমাদের ক্বলবে প্রবেশই করেনি (অথচ তোমরা নিজেদের মুমিন বলে বেড়াচ্ছো)

সুতরাং তোমার বোঝা উচিত যে তুমি যদি একজন মুমিন না হও তবে তুমি রোজার ফায়দা লাভের যোগ্যই নওতুমি যদি একজন ধর্মপ্রাণ মুমিন না হও তাহলে তোমার নামাজ পড়ার কোনো যোগ্যতাই নেই, তুমি নামাজ আদায় করতে পারো কিন্তু এর থেকে কোনো ফায়দা লাভ করবে নাআর এটাইতো হচ্ছে তোমার সাথেপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ হয়েছেঃ (إِنَّ الصَّلٰوةَ تَنْهٰى عَنِ الْفَحْشَآءِ وَالْمُنكَرِ ۗ وَلَذِكْرُ اللَّهِ أَكْبَرُ) অর্থাৎ, নিশ্চয়ই নামাজ (মানুষকে সমস্ত) অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ হতে বিরত রাখেনআর মহান আল্লাহ তায়ালা উনার জিকিরই সর্বশ্রেষ্ঠ (বাদাত) (ছুরাহ আল-আনকাবুত ২৯/৪৫) এটা ক্বুরআন শরীফ বলছেন আমি নই এখন আমরা যদি আজ আমাদের নিজেদের দেশ ও প্রতিবেশি ভারত ও পাকিস্তানের মুলিমদের অবস্থার দিকে তাকাই, তাহলে তোমাদের সামনে স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, লম্বা দাড়ি রাখে, মাদ্রাসার শিক্ষক, ইমাম নামাজ পড়ায় একই সাথে অল্প বয়স্ক ছেলেদের শ্লীলতাহানি, ব্যাভিচারও করে ৪/৫ বছরের মেয়েদের ধর্ষণ করে বসে ভয় দেখিয়েটেলিভিশন সিনেমা নাটক দেখে, খেলাধুলায় মত্ত থাকে কথিত শরীরচর্চার নামেআমি তাদের জিজ্ঞাসা করছি, তোমরা তো চল্লিশ বছর ধরে নামাজ পড়ছো, তা তোমাদের নামাজ কেন তোমাদেরকে এসব খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখেনি? একারণেই রাখেনি কারণ তুমি মুমিন না হয়েই নামাজ আদায় করেছ এবং তোমার নামাজ তোমাকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছেএটা কালামুল্লাহ শরীফই বলছেনকালামুল্লাহ শরীফে বলা হয়েছেঃ (فَوَيْلٌ لِّلْمُصَلِّينَ الَّذِينَ هُمْ عَن صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ الَّذِينَ هُمْ يُرَآءُونَ) (মর্মান্তিক) দুর্ভোগ রয়েছে সেসব (মুনাফিক) নামাজিদে জন্যে, যারা নিজেদের নামাজের ব্যপারে গ্বফিল(ছুরাহ আল-মাউন ১০৭/৪-৫) অতএব, রোজা ও নামাজের সুফল সেই ভোগ করবে, যে প্রথমে ঈমানদার হবে, একজন পাক্কা মুমিন হয়ে যাবেআর মুমিন হওয়া কি?

মহান আল্লাহ পাক উনার নাম কালিমা তাইয়্যিব এর সার আল্লাহ-হু হৃদস্পন্দনের মধ্যে মিশে যাবে, তুমি চুপ থাকলেও হৃদস্পন্দন আল্লাহ-হু আল্লাহ-হু করতে থাকবে, তুমি দাঁড়িয়ে থাকো ক্বলব আল্লাহ-হু আল্লাহ-হু করতে থাকবে, বসে থাকো কিংবা ঘুমিয়ে যাও ক্বলব আল্লাহ-হু আল্লাহ-হু করতে থাকবেতোমার শরীর জাগতিক কাজে নিয়োজিত, আর তোমার ক্বলব আল্লাহ-হু আল্লাহ-হু করছেএখন তুমি মুমিন হয়ে গেছ, এখন তুমি নামাজ পড়, দেখবে দুনিয়ার কোন বিষয়ে এখন আর খেয়াল যাচ্ছে নাএখন তুমি নামাজ পড়োদেখবে পার্থিব চিন্তায় তুমি আর বিভ্রান্ত হচ্ছ না


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 ফেইসবুক: