Sunday, January 18, 2026

একই দিনে ও চাঁদ না দেখেও য়ী’দ করা নিয়ে প্রোপ্যাগান্ডার পোষ্ট মর্টেম ও ফতওয়া

রায়ঃ খালি চোখে চাঁদ না দেখে হিসাবভিত্তিক হিজরি মাস নির্ধারণ বিদ’য়াত ও হারাম। মেঘলা হলে ৩০ দিন পূর্ণ না করে ২৯ দিনে মাস শুরু করা নবীজি ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম উনার হুকুমের বিরুদ্ধে অগ্রগামী হওয়া। এছাড়াও একই দিনে সারা পৃথিবীতে রমাদ্বন, য়ী’দ ও ক্বুরবানী পালন শরীয়ত-বিরোধী য়া’মল; এই বিদ’য়াতি ত্বরীকাহ অনুসারে করা সময়নির্ভর ইবাদত শরীয়তে মুহাম্মাদি অনুসারে বাতিল

ফতওয়ার বিষয়ঃ

(১) খালি চোখে চাঁদ না দেখে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবে হিজরি মাস নির্ধারণ বিদ’য়াত। (২) একই দিনে সারা পৃথিবীতে রমাদ্বন, ঈদ, কুরবানী পালন শরিয়ত-বিরোধী

প্রথমে আল কুরআনের স্পষ্ট নাছ্বঃ অর্থাৎ স্পষ্ট, দ্ব্যর্থহীন, চূড়ান্ত নির্দেশ (পবিত্র আল কুরআন বা ছ্বহীহ হাদিছের এমন বক্তব্য যার বিপরীতে কোনো ইজতিহাদ গ্রহণযোগ্য নয়।)

মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ (يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُقَدِّمُوا بَيْنَ يَدَيِ اللَّهِ وَرَسُولِهِ) হে মুওমিনগণ! মহান আল্লাহ তায়ালা ও উনার রছুল ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম উনাদের সামনে অগ্রগামী হয়ো না (ছুরাহ আল-হুজুরাত ৪৯:১) উক্ত আয়াত শরীফের নাছ্ব অনুযায়ী যে বিষয়ে মহান আল্লাহ তায়ালা ও রছুলে পাক ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম স্পষ্ট হুকুম দিয়েছেন, সেখানে কারো “নিজস্ব পদ্ধতি” সামনে আনা শরীয়তসম্মত নয়; স্পষ্ট নসের বিরুদ্ধে কোনো ইজতিহাদের সুযোগ থাকে না

মাস নির্ধারণে চাঁদের ব্যাপারে কুরআনের সরাসরি নাছ্বঃ মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ (یَسۡـَٔلُوۡنَكَ عَنِ الۡاَهِلَّۃِ ؕ قُلۡ هِیَ مَوَاقِیۡتُ لِلنَّاسِ وَ الۡحَجِّ) তারা আপনাকে নতুন চাঁদগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে (ইয়া রছুলাল্লাহ ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম) আপনি বলে দিনঃ এগুলো মানুষের জন্য হজ্জ ও (ইবাদতের) ওয়াক্ত নির্ধারণের মাধ্যম (সূরা আল-বাকারা ২:১৮৯)

তাফসীর ইবন জারীর ত্ববারী (রহিমাহুল্লাহ)-এর আলোকে উক্ত আয়াতের নয়া চাঁদ ও ওয়াক্ত শব্দগুলির স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন। উক্ত আয়াতে পাক-এর “আহিল্লা/চাঁদসমূহ” বলতে কেবল নতুন চাঁদের প্রথম রাত নয়; বরং চাঁদের উদয়, বৃদ্ধি, পূর্ণতা, ক্ষয়, অদৃশ্য হওয়া, চাঁদের পুরো পরিবর্তনশীল অবস্থা বোঝানো হয়েছে মহান আল্লাহ তায়ালা এই পরিবর্তনকে মানুষের জন্য “মাওয়াক্বীত” অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময় ও মেয়াদ নির্ধারণের মানদণ্ড হিসেবে স্থির করেছেনতাফসীর অনুযায়ী, মানুষ চাঁদের এই অবস্থার মাধ্যমে, প্রত্যেক আরবি মাস, আইয়্যামুল্লাহ, রমাদ্বন শুরু ও শেষ করা, হজ্জ ও কুরবানীর সময় নির্ধারন করা, নারীদের ইদ্দত নির্ধারণ করা, ঋণের মেয়াদ পূর্ণ হওয়া বা পরিশোধের সময় জানা, ভাড়ার বা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া নির্ণয় করা, এমনকি কিছু বর্ণনায় তালাক ও হায়েজ-সংক্রান্ত সময়ও নির্ধারণ করাও এর অন্তর্ভুক্ত

অতএব, শরীয়ত “আহিল্লা”কে সময়/ওয়াক্ত নির্ধারণের মাধ্যম করেছেন; কোনো ক্যালেন্ডার-উদ্ভাবিত আর্টিফিশিয়াল সিদ্ধান্তকে নয়

রোজার শুরু ও শেষের বিষয়ে হাদিছের স্পষ্ট নাছ্বঃ রমাদ্বন শরীফ মাস শুরু-শেষের হুকুমকে একদম “শর্ত” হিসেবে স্থির করে রছুলে পাক ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ (صُومُوا لِرُؤْيَتِهِ، وَأَفْطِرُوا لِرُؤْيَتِهِ، فَإِنْ غُبِّيَ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوا عِدَّةَ شَعْبَانَ ثَلاَثِينَ) চাঁদ দেখা গেলে তোমরা রোযা শুরু করো, আর চাঁদ দেখা গেলেই রোযা ভঙ্গ করোযদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে তোমাদের কাছে চাঁদ আড়াল থাকে, তাহলে তোমরা শা‘বান মাসের সংখ্যা পূর্ণ করে ত্রিশ দিন সম্পন্ন করো (ছ্বহীহ আল-বুখারী ১৯০৯)এখানে নাছ্বের শব্দ “لِرُؤْيَتِهِ” অর্থাৎ “দেখার কারণে/দেখার ভিত্তিতে” সুতরাং মাস নির্ধারণের শরঈ ভিত্তি হলো “রু’ইয়াত”, জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক “হিসাব” নয়

এই একই হুকুমের নাছ্বের ভেতরেই মেঘলা অবস্থার বিধানও নবীজি ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম চূড়ান্তভাবে বলে দিয়েছেনঃ (فَإِنْ غُبِّيَ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوا عِدَّةَ شَعْبَانَ ثَلاَثِينَ) “যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে তোমাদের কাছে চাঁদ আড়াল থাকে, তাহলে তোমরা শা‘বান মাসের সংখ্যা পূর্ণ করে ত্রিশ দিন সম্পন্ন করো” এই নাছ্বের ফলে “মেঘলা হলে কী করবো” এখানে কোনো ইজতিহাদ অবশিষ্ট থাকে না; শরীয়তের নির্ধারিত ব্যাক-আপ হলো “৩০ দিন পূর্ণ করা” অতএব, মেঘলা অবস্থায় “হিসাব বলছে চাঁদ উঠেছে, তাই মাস শুরু” এটা এই নাছ্বের সরাসরি বিরোধিতা, কারণ নাছ্ব বলছে “মেঘলা হলে ৩০ দিন পূর্ণ করো

এখন জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবকে শুরু-শেষের ভিত্তি বানানো বাতিল বলে রছুলে পাক ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ (إِنَّا أُمَّةٌ أُمِّيَّةٌ لَا نَكْتُبُ وَلَا نَحْسُبُ الشَّهْرُ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا - وَعَقَدَ الإِبْهَامَ فِي الثَّالِثَةِ - وَالشَّهْرُ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا) নিশ্চয়ই আমার উম্মতের অধিকাংশ উম্মি; (মাস গণনার বিষয়ে) আমরা লিখিও না এবং হিসাবও করি নামাস কখনো এমন হয়, কখনো এমন হয়, কখনো এমন হয় এ সময় তিনি তৃতীয়বারে বৃদ্ধাঙ্গুলি ভাঁজ করলেন, অর্থাৎ কোনো মাস কখনো ঊনত্রিশ দিনের হয়; আবার মাস কখনো এমন হয়, কখনো এমন হয়, কখনো এমন হয়, অর্থাৎ কোনো মাস ত্রিশ দিনেরও হয় (ছ্বহিহ বুখারী ১৯১৩, ছ্বহিহ মুছলিম ১০৮০) এই নাছ্বের মধ্যে “الشَّهْرُ” শব্দ নিজেই প্রসঙ্গকে মাস নির্ধারণে লক করে দেয়; ফলে “হিসাবকে মাস নির্ধারণের চূড়ান্ত ভিত্তি” বানানো নবীজির ঘোষিত সুন্নাহ-বিরোধী পদ্ধতি

অতএব প্রথম সাবজেক্টের ফয়সালা স্পষ্ট নাছ্ব-ভিত্তিকভাবে এই দাঁড়ায়ঃ যে ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ “রু’ইয়াত” ও “মেঘলা হলে ৩০ পূর্ণ” এই ছুন্নাহ-শর্ত বাদ দিয়ে শুধু জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবকে মাস নির্ধারণের ভিত্তি বানায়, সে স্পষ্ট নাছ্বের বিরুদ্ধে গিয়ে নতুন নিয়ম স্থাপন করে; এটি বিদ’য়াত এবং হারামকারণ এখানে কেবল “সহায়ক তথ্য” নয়, বরং নাছ্বের-স্থিরকৃত শর্তকে সরিয়ে দিয়ে বিকল্প ভিত্তি বসানো হচ্ছে, যা ছুরাহ (৪৯:১)-এর “لَا تُقَدِّمُوا” এর আওতায়ও পড়ে

অতএব স্পষ্ট ফতওয়া হলোঃ চাঁদ খালি চোখে দেখেই যেকোন আরবি মাস শুরু করতে হবে, মেঘলা থাকলে হিসাব বা দূরবীন লাগিয়ে দেখে ২৯ দিনে মাস শেষ করা হারাম, ইবাদত করা বিদআতে ছাইয়্যিয়াহ।

এখন দ্বিতীয় সাবজেক্টঃ “একই দিনে সারা পৃথিবীতে রমাদ্বান, ঈদ, কুরবানী”-এর বিরোধিতা কেবল যুক্তিসঙ্গতই নয়, বরং ছ্বহীহ হাদিছ শরীফের সরাসরি নাছ্ব। ছ্বহীহ মুছলিমে কুরাইব রদ্বিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন তিনি শামে ছিলেন এবং সেখানে শুক্রবার রাতে চাঁদ দেখা হলো; পরে মদীনায় এসে ইবনে আব্বাস রদ্বিআল্লাহু আনহুকে জানালেন যে মুআবিয়া রদ্বিআল্লাহু আনহু সহ শামের লোকেরা শুক্রবার রাতের রু’ইয়াতে রোযা শুরু করেছেইবনে আব্বাস রদ্বিআল্লাহু আনহু বললেনঃ (لَكِنَّا رَأَيْنَاهُ لَيْلَةَ السَّبْتِ، فَلَا نَزَالُ نَصُومُ حَتَّى نُكْمِلَ ثَلَاثِينَ أَوْ نَرَاهُ) কিন্তু আমরা শনিবার রাতে চাঁদ দেখেছি; তাই আমরা রোযা পালন করতে থাকব, যতক্ষণ না ত্রিশ দিন পূর্ণ করি অথবা আবার চাঁদ দেখি কুরাইব রদ্বিআল্লাহু আনহু জিজ্ঞেস করলেনঃ (أَوَلَا تَكْتَفِي بِرُؤْيَةِ مُعَاوِيَةَ وَصِيَامِهِ؟) তাহলে কি মুআবিয়া ইবনু আবি সুফিয়ানএর চাঁদ দেখা এবং তাঁর রোযা রাখাই কি যথেষ্ট নয়? তখন ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু য়ানহু বললেনঃ (لَا، هَكَذَا أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَسَلَّمَ) না; আমাদেরকে রছুলে পাক ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম এভাবেই পালনের নির্দেশ দিয়েছেন (ছ্বহিহ আবু দাউদ ২৩৩২, ছ্বহীহ মুছলিম ১০৮৭)

এই নাছ্ব দ্বারা প্রমাণিত যে শাম-মদীনার মতো নিকটবর্তী শহর (দামেশক থেকে মদীনা পর্যন্ত দূরত্ব আনুমানিক ১,৩০০–১,৪০০ কিলোমিটার ছিলো) একই মুছলিম শাসন-পরিসরে থেকেও, ছ্বহাবায়ে কিরাম রদ্বিআল্লাহু আনহুমদের য়া’মল ছিল স্থানীয়/অঞ্চলগত রু’ইয়াত অনুযায়ী; ফলে “বিশ্বব্যাপী একদিনের আলাপ করা” ছুন্নাহ-সম্মত নয়যখন ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহু, যিনি মুফাসসির ও মুহাদ্দিস ছ্বহাবী, শামের রু’ইয়াতকে মদীনার উপর একদিনে চাপাননি, তখন আজ আমাদের পক্ষে “সারা পৃথিবী একদিন” এমন ধৃষ্টতা দেখানো নাযায়েজ, হারাম, বাতিল, বিদআতি আক্বিদাহ

এখন মনগড়া দিনের “ইবাদত বাতিল” কীভাবে হয়, এই অংশটি নাছ্ব দিয়ে স্থাপন করা প্রয়োজনঃ এখানেও ছ্বহীহ নাছ্ব আছে, যে সময়-শর্ত ভাঙলে ইবাদত বাতিল হয়ছ্বহীহ বুখারী ও মুছলিমে এসেছে, এক ছ্বহাবী য়ীদের দিন নবীজি ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লামের ছ্বলাতের আগে কুরবানী করে ফেললে রছুলে পাক ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম বলেনঃ (شَاتُكَ شَاةُ لَحْمٍ) “তোমারটা কুরবানী নয়; এটা কেবল গোশত” (ছ্বহিহ আবু দাউদ ২৮০১) এই নাছ্ব প্রমাণ করেন, ইবাদতের ক্ষেত্রে শরীয়ত নির্ধারিত সময়/শর্ত অতিক্রম বা লঙ্ঘন করলে, যা রছুলে পাক ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম নির্ধারন করে দিয়েছেন, উত্তম নিয়ত থাকলেও, ইবাদত ইবাদত হিসেবে গণ্য হয় নাঅতএব, রমাদ্বন/য়ীদ/কুরবানীর মতো সময়নির্ভর ইবাদতে শরীয়তের নির্ধারিত ট্রিগার (রু’ইয়াত অথবা মেঘলা হলে ৩০ পূর্ণ) বাদ দিয়ে “হিসাব-ভিত্তিক আগাম শুরু” করা হলে, তা একই উসূলের অধীনে পড়ে, ইবাদতের শরীয়ত নির্ধারিত শর্তের বাইরে গিয়ে সংঘটিত হচ্ছে; ফলে তা বাতিল, বাতিল, বাতিল

চূড়ান্ত ফতোয়া এই যেঃ পবিত্র আল কুরআন ও ছ্বহীহ হাদিছের স্পষ্ট নস দ্বারা প্রমাণিতঃ-

(ক) রমাদ্বান শুরু-শেষ এবং মাস নির্ধারণের শরঈ ভিত্তি হলেন রু’ইয়াত(খালি চোখে দেখা); মেঘলা হলে নাছ্বের হুকুম হলো ৩০ দিন পূর্ণ করা; সুতরাং খালি চোখে চাঁদ না দেখে কেবল হিসাবের উপর মাস নির্ধারণ বিদ’য়াত ও হারাম

(খ) ছ্বহীহ মুছলিমের কুরাইব–ইবনে আব্বাস রদ্বিআল্লাহু আনহুমার নাছ্ব দ্বারা প্রমাণিত, এক অঞ্চলের রু’ইয়াত অন্য অঞ্চলে বাধ্যতামূলকভাবে একদিনে চাপানো রছুলে পাক ছ্বল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া আলিহি ওয়া ছাল্লাম উনার ছুন্নাহ-এঁর বিপরীতে বিদআত; সুতরাং “বিশ্বব্যাপী একই দিনে রমাদ্বান/য়ীদ/কুরবানী” শরীয়ত-বিরোধী বিদআতী য়া’মল

(গ) সময়/শর্ত ভেঙে ইবাদত করলে তা ইবাদত হয় না, এর নাছ্ব “شَاتُكَ شَاةُ لَحْمٍ”। অতএব বিদ’য়াতি ত্বরীকাহ অনুসারে মাস নির্ধারণ করে করা এই সময়নির্ভর ইবাদত শরঈ মানদণ্ডে বাতিল


সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুনঃ

এডমিন

আমার লিখা এবং প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বে আইনি।

0 ফেইসবুক: